জ্বালানি সংকট এবং দাম বৃদ্ধির কারণে সম্প্রতি বাড়ছে বৈদ্যুতিক স্কুটারের চাহিদা। যদিও বেশ কয়েক বছর ধরেই বৈদ্যুতিক স্কুটারের জনপ্রিয়তা রয়েছে পুরো বিশ্বে। প্রথমবার বৈদ্যুতিক স্কুটার কিনতে গেলে অনেকেই শুধু দাম দেখে সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু এতে পরে ভোগান্তিতে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
একটি স্কুটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর ব্যাটারি ও রেঞ্জ। সাধারণত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি বেশি টেকসই এবং একবার চার্জে দীর্ঘ দূরত্ব যেতে সক্ষম। তাই নিজের দৈনন্দিন যাতায়াত কত কিলোমিটার, সেটি মাথায় রেখে স্কুটার নির্বাচন করা উচিত, যাতে বারবার চার্জ দিতে না হয়।
স্কুটারের মোটর পাওয়ার এবং গতি বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। শহরের ভেতরে চলাচলের জন্য মাঝারি ক্ষমতার মোটরই যথেষ্ট হলেও, ভালো পারফরম্যান্স পেতে একটু বেশি শক্তিশালী মোটর বেছে নেওয়া ভালো।
চার্জিং সময় কত লাগবে এবং বিদ্যুৎ খরচ কেমন হবে, সেটিও যাচাই করা দরকার। সাধারণত ৪ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি স্কুটার সম্পূর্ণ
চার্জ হয়, এবং খরচ তুলনামূলকভাবে খুবই কম।
কেনার আগে সার্ভিস ও ওয়ারেন্টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অনেক সময় কম দামের অজানা ব্র্যান্ড কিনলে পরে সার্ভিস পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তাই এমন ব্র্যান্ড বেছে নেওয়া উচিত যাদের সার্ভিস সেন্টার কাছাকাছি রয়েছে এবং ব্যাটারির ওপর ভালো ওয়ারেন্টি দেয়। এতে দীর্ঘমেয়াদে ঝামেলা কম হবে।
নিরাপত্তা বিষয়টিও অবহেলা করা যাবে না। ভালো ব্রেকিং সিস্টেম, শক্ত গ্রিপের টায়ার, এলইডি লাইট এবং অন্যান্য সেফটি ফিচার থাকলে চালানো আরও নিরাপদ হয়। বিশেষ করে নতুন চালকদের জন্য এসব ফিচার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি স্কুটারের ওজন ও নিয়ন্ত্রণ সহজ কি না সেটিও খেয়াল রাখতে হবে, যাতে সহজে চালানো যায়।
বাজেট ও আইনি বিষয়গুলো বিবেচনা করা জরুরি। নিজের সামর্থ্যের মধ্যে এমন একটি স্কুটার বেছে নিতে হবে, যাতে প্রয়োজনীয় সব ফিচার থাকে। একই সঙ্গে সেটি রাস্তায় চালানোর জন্য বৈধ কি না, রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন হয় কি না এসব বিষয় আগেই জেনে নেওয়া ভালো।
আরও পড়ুন
জ্বালানি সংকট: বাইকের তেলের খরচ কমাবেন যেভাবেবৈদ্যুতিক স্কুটারে মাসে বিদ্যুৎ খরচ কত
কেএসকে