দেড়শ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী বগুড়া পৌরসভা এখন সিটি করপোরেশন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শহরজুড়ে বইছে উচ্ছ্বাসের হাওয়া। তবে এই ঘোষণার সমান্তরালে সামনে এসেছে বিশাল চ্যালেঞ্জ। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, দক্ষ জনবল সংকট আর রাজস্ব ঘাটতি—এই তিন পাহাড়সম প্রতিবন্ধকতা নিয়েই যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে নবসৃষ্ট এই সিটিকে। বিশেষ করে বর্ধিত এলাকাগুলোর দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করা এবং মাস্টারপ্ল্যানহীন এই শহরকে আধুনিক রূপ দেওয়া এখন কর্তৃপক্ষের সামনে বড় পরীক্ষা।
Advertisement
পৌরসভার প্রকৌশল শাখার তথ্যমতে, সিটি করপোরেশন হওয়ায় সড়ক, ড্রেনেজ, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক সব খাতে চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু বর্তমান পৌর কাঠামো সেই চাপ সামলানোর মতো নয়। শহরে প্রতিদিন ১২০ থেকে ১৩০ টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে সংগ্রহ করা যায় সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৮০ টন। বাকি বর্জ্য পড়ে থাকে খোলা ড্রেন, খাল ও সড়কে। আধুনিক ল্যান্ডফিল বা বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্ট না থাকায় এই সমস্যা দীর্ঘদিনের।
ড্রেনেজ ব্যবস্থারও একই চিত্র। মোট ১২১০ কিলোমিটার ড্রেনের মধ্যে ৭৭০ কিলোমিটার কাঁচা ভাঙা বা অবরুদ্ধ। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। সিটি করপোরেশন হিসেবে এই নেটওয়ার্ক বাড়ানো ও পুনর্গঠন জরুরি। সড়ক অবকাঠামোতেও ঘাটতি রয়েছে। প্রায় ১৩৪০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ৩৬৫ কিলোমিটার এখনও কাঁচা বা আধাপাকা। অনেক ওয়ার্ডেই উন্নত সড়ক সুবিধা নেই।
আরও পড়ুনঅব্যবস্থাপনা আর দখলে বগুড়া শহরে তীব্র যানজটচাহিদা মেটাতে হিমশিম, বগুড়ার দই-মিষ্টি-সেমাই বিক্রি তুঙ্গেসিটি করপোরেশন হচ্ছে বগুড়া, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার অপেক্ষায় জেলাবাসী
Advertisement
নবসৃষ্ট সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান হতাশা প্রকাশ করে জানান, দেড়শ বছরের পুরনো এই প্রতিষ্ঠানের কোনো মাস্টারপ্ল্যান নেই। বর্তমানে বর্জ্য অপসারণের জন্য নিজস্ব দুটি ট্রাকের একটি অকেজো। এমনকি বর্জ্য পরিষ্কারের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ভ্যাকিউম ক্লিনার গাড়িও নেই। তবে তিনি আশাবাদী যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪০২ কোটি ১৫ লাখ টাকার বর্ধিত বাজেটে টেকসই প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০ বছরের চাহিদা মেটানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
বর্ধিত এলাকার দীর্ঘ বঞ্চনা১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বগুড়া পৌরসভার আয়তন ২০০৬ সালে ১৪ বর্গকিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৭০ বর্গকিলোমিটার করা হয়। তখন সদর ও শাজাহানপুর উপজেলার দুটি ইউনিয়ন এবং ছয়টি ইউনিয়নের অংশ যুক্ত করে ওয়ার্ড সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ২১টি করা হয়। বর্তমানে প্রায় সাড়ে সাত লাখ নাগরিকের মধ্যে ১ থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাস করেন প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ। বাকি তিন লাখ বাস করেন বর্ধিত ১৩ থেকে ২১ নম্বর ওয়ার্ডে।
কাগজে-কলমে শহরের অংশ হলেও বাস্তবে এই বর্ধিত এলাকাগুলোর বড় অংশ এখনও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৭০ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৫৬ বর্গকিলোমিটার এলাকায় কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। মোট সড়কের ২৫ শতাংশ এখনও কাঁচা। অন্তত ৫৫ শতাংশ এলাকায় নেই সড়কবাতি।
ফাঁপোর এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে থাকলে কম কর দিয়ে কিছু উন্নয়ন পেতাম। এখন চারগুণ কর দিচ্ছি, কিন্তু সুবিধা পাইনি। তবে সিটি করপোরেশন হওয়ায় আশা করছি এবার পরিবর্তন হবে।
Advertisement
২১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সুফিয়ান বলেন, পৌরসভা হওয়ার পর শুধু কর বেড়েছে, উন্নয়ন হয়নি। সড়ক, ড্রেন, আলো সবকিছুরই অভাব। এখন আবার সিটি হলো। এখন আমাদের খরচ আরো বাড়বে। তারপরেও অন্তত পরিবর্তনের আশা করছি।
অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজন বড় বিনিয়োগপৌরসভার প্রকৌশল শাখার তথ্য অনুযায়ী, ১ হাজার ৩৪০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ৬১০ কিলোমিটার সড়ক পাকা ও আরসিসি করা। বাকি ৩৫০ কিলোমিটার সড়ক পুরোপুরি কাঁচা। আর ৩৪০ কিলোমিটার ইট বিছানো অবস্থায় রয়েছে। এগুলোর বেশিরভাগই বর্ধিত এলাকায়।
নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান বলেন, সিটি করপোরেশন হওয়ায় বরাদ্দ বাড়বে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৭১ কোটি টাকার বাজেট থাকলেও ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ৪০২ কোটি ১৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। এতে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এখনো অবকাঠামো উন্নয়নে অন্তত এক হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। অর্থ সংকটের কারণে এতদিন উন্নয়ন সম্ভব হয়নি।
পুনর্বিন্যাস ও রাজস্ব চাপের দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জখোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন গঠনের পর বগুড়ার সামনে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও রাজস্ব ঘাটতির দ্বিমুখী চাপ তৈরি হয়েছে। একদিকে ইউনিয়ন এলাকা অন্তর্ভুক্তি, সম্পদ হস্তান্তর ও দায়িত্ব বণ্টনের মতো কাঠামোগত পরিবর্তন, অন্যদিকে বাড়তি ব্যয় সামলাতে প্রয়োজনীয় রাজস্ব জোগানের চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। সিটির বিভিন্ন অংশ এখনও ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় রয়েছে। এগুলো অন্তর্ভুক্ত হলে উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ একাধিক সংস্থার মধ্যে দায়িত্ব ভাগাভাগি ও সমন্বয় করতে হবে। এতে করে দ্বৈত কর্তৃত্ব, ফাইল জট এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির মতো সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নগর পরিকল্পনাবিদ তৌফিকুল ইসলাম বলেন, সিটি করপোরেশন মানে পুরো প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন। প্রস্তুতি ছাড়া এটি চালু হলে শুরুতেই সমন্বয় সংকট তৈরি হবে, যা সরাসরি নাগরিক সেবায় প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে বড় হয়ে উঠছে রাজস্ব ঘাটতির প্রশ্ন। বর্তমানে বগুড়ার বার্ষিক আয় প্রায় ৮০ থেকে ৮৮ কোটি টাকা। অথচ একটি কার্যকর সিটি করপোরেশন পরিচালনায় প্রয়োজন অন্তত ১৫০ থেকে ২০০ কোটি টাকা। এই ব্যবধান পূরণে কর বৃদ্ধি প্রায় অনিবার্য হয়ে উঠছে। হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স ফি এবং অন্যান্য সেবার চার্জ বাড়ানোর বিষয়টি সামনে আসতে পারে, যা সাধারণ নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসরকারি গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় থাকা এই সিটির প্রশাসনিক কাঠামোতেও আসবে বড় পরিবর্তন। গেজেট অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের আওতায় আসছে ফুলবাড়ি, নিশিন্দারা, কাটনারপাড়া, শিববাটি, চকবৃন্দাবন, নাটাইপাড়া, চেলোপাড়া, মালতিনগর, গাঁড়ামারা, ঠনঠনিয়া, মালগ্রাম, চকলোকমান, লতিফপুর, চক ফরিদ, ফুলদীঘি, কৈগাড়ি, গন্ডগ্রাম, সুজাবাদ, বেতগাড়ি, সিলিমপুর, পুরান বগুড়া, বেলাইল, শাকপালা, কুমিড়া, ছয়পুকুরিয়া, পালশা, বারবারকপুর, শাখারিয়া, রাজাপুর, কালিবালা, মানিকচক, হটিলাপুর, কর্ণপুর, গবরধনপুর, খামারকান্দি, ডাকুরচক, নগর, কুরশা, ইছাদহ, নারুলী, ধাওয়াপাড়া, পার বগুড়া, আকাশতারা, সাবগ্রাম, বুজরুকবাড়িয়া, রবিবাড়িয়া, ভাটকান্দি, বেজড়া, নিশ্চিতপুর, ঢাকন্তা, কলসিমাটি, শ্যামবাড়িয়া, শেখপাড়া, হেলেঞ্জাপাড়া ও মাদলা এলাকা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সিটি করপোরেশনের প্রথম বছরটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস, জনবল নিয়োগ, মাস্টারপ্ল্যান প্রস্তুত এবং জরুরি অবকাঠামো উন্নয়ন শুরু করতে হবে। বিশেষ করে বর্জ্য, পানি ও ড্রেনেজ খাতে দ্রুত উদ্যোগ না নিলে নাগরিক ভোগান্তি আরও বাড়বে।
প্রশাসক পদে নিয়োগ পেতে দৌড়ঝাঁপসিটি করপোরেশন ঘোষণার পর প্রশাসক পদ নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন ও আলী আজগর তালুকদার হেনা, ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম খায়রুল বাশার।
কর্মকর্তারা যা বলছেনবগুড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়াহিদুর রহমান শহরের সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, দেড়শ বছরের পুরোনো এই পৌরসভার কোনো মাস্টার প্ল্যান নেই, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। তবে বর্তমানে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং যানজট নিরসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শহরের তীব্র যানজট সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ টিম কাজ শুরু করেছে।
পৌরসভার যান্ত্রিক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বর্জ্য অপসারণের জন্য নিজস্ব মাত্র দুটি ট্রাকের মধ্যে একটি অকেজো হয়ে আছে, যার ফলে ব্যক্তিগত ট্রাক ভাড়া করে কাজ চালাতে হচ্ছে। এছাড়া নিজস্ব কোনো ডাম্পিং স্টেশন এবং বর্জ্য পরিষ্কারের জন্য ভ্যাকিউম ক্লিনার গাড়ি নেই, যা সিটি কর্পোরেশনের জন্য বর্তমানে অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। যান্ত্রিক সরঞ্জামের মধ্যে মাত্র একটি বিম লিস্টার রয়েছে এবং একমাত্র বুলডোজারটিও মেরামতের অপেক্ষায় আছে।
আরও পড়ুনপাঠ্যবইয়ের ভূতুড়ে চাহিদায় ৩০০ কোটি টাকা লুটপাটের ছকশুকিয়ে যাচ্ছে ধানের জমি, তেলের খোঁজে পাম্পে পাম্পে ঘুরছে কৃষক
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক পরিবর্তন প্রসঙ্গে জানান, সরকারি গেজেট প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত জনবল কাঠামোর প্রকৃত চিত্র এবং নতুন কোন কোন পদ সৃষ্টি হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা পদের পরিবর্তে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদটি কার্যকর হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ পদে উপসচিব নাকি সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে, সে বিষয়টিও গেজেট প্রকাশের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে। সার্বিকভাবে, গেজেটে উল্লিখিত রূপরেখা ও নির্দেশনা অনুযায়ীই পরবর্তী সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
পৌরসভার প্রশাসক রাজিয়া সুলতানা জানান, প্রধানমন্ত্রী বগুড়াকে নবসৃষ্ট সিটি কর্পোরেশন হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং এর নামফলক উন্মোচন করেছেন। সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমে রাতারাতি সবকিছু পরিবর্তন না হলেও ধীরে ধীরে এর কর্মপরিধি ও নাগরিক সেবাগুলো বিস্তৃত হবে। বর্তমানে নাগরিক সেবা দেওয়ার কার্যক্রম পূর্বে অর্থাৎ পৌরসভার মতোই বহাল রয়েছে। তবে সিটি কর্পোরেশন হিসেবে পূর্ণাঙ্গ যাত্রা শুরু হলে স্বাস্থ্যখাত, অবকাঠামো উন্নয়ন ও রাস্তাঘাটসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা অনেক বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রশাসনিকভাবে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো অফিসিয়াল নির্দেশনা আসেনি। তবে সরকারি গ্যাজেট হাতে পেলে দ্রুতই দাপ্তরিক পরিবর্তনগুলো সম্পন্ন হবে। বর্তমানে প্রস্তাবিত ৬৯ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়েই এই সিটি কর্পোরেশনের সীমানা নির্ধারিত রয়েছে। যেহেতু সিটি কর্পোরেশন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং নিজস্ব আয়ে পরিচালিত হয়, তাই নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স ফি এবং নকশা পাসের ফি সরকার নির্ধারিত নতুন হারে কিছুটা বৃদ্ধি পাবে।
এল.বি/কেএইচকে/জেআইএম