জয়ের জন্য ২৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে উইকেট হারালেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু দুটি মাঝারিমানের জুটি গড়াছাড়া তেমন কিছুই করতে পারেনি তারা। উল্টো মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানার বোলিং তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাচ্ছে কিউইরা।
Advertisement
এ রিপোর্ট লেখার সময় নিউজিল্যান্ডের রান ৩৫.৩ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯। ডিন ফক্সক্রফট ২২ রানে এবং নাথান স্মিথ ব্যাট করছেন ২ রান নিয়ে। জয়ের জন্য ৮৭ বলে এখনও ১১৭ রান দরকার কিউইদের।
কিউইদের ইনিংসে প্রথম আঘাত হানেন মোস্তাফিজুর রহমান। চতুর্থ ওভারের ২য় বলে ৮ রানের জুটি ভেঙে দেন তিনি। উইকেটের পেছনে থাকা লিটন কুমার দাসের হাতে ক্যাচ বানিয়েই দলীয় ৮ রানে হেনরি নিকোলসকে সাজঘরে ফেরত পাঠান মোস্তাফিজ। নিকোলস ১০ বলে করেন ৪ রান।
শুরুতেই উইকেট হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে কিউইরা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে নিক কেলির সঙ্গে ৪৬ রান করেন উইল ইয়াং। কিন্তু গতিতারকা নাহিদ রানাকে নিয়ে যেভাবে বরাবরই শঙ্কিত নিউজিল্যান্ড দল।
Advertisement
সেই ভয়টাকেই কাজে লাগালেন নাহিদ। দলীয় ৫৪ রানের মাথায় কিউই ব্যাটার উইল ইয়াংকে ফিরিয়ে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ১৯ রান করেন উইল ইয়াং।
নাহিদ রানার ১৪৬ কিলোমিটার গতির বলে পরাস্ত হয়েছেন ইয়াং। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন কুমার দাসের গ্লাভসে।
এরপর তৃতীয় উইকেটে নিক কেলির সঙ্গে জুটি বাধেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তবে ১৭তম ওভারের ৫ম বলে টম ল্যাথামকে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৩ বলে ৫ রান করেন ল্যাথাম। ৬১ রানের মাথায় পড়ে তৃতীয় উইকেট।
চতুর্থ উইকেট পড়ার আগেই ওপেনার নিক কেলি হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করে ফেলেন। সে সঙ্গে মুহাম্মদ আব্বাসকে নিয়ে ২৩.২ ওভারেই ১০০ রানের গন্ডি পার করে দেন তিনি। তবে এ দু’জনের জুটি হাফ সেঞ্চুরিও করতে পারেনি।
Advertisement
৪৭ রান করার পর (দলীয় ১০৮ রানের মাথায়) নিক কেলিকেই ফিরিয়ে দিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। ২৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তানজিদ হাসান তামিমের হাতে নিক কেলিকে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন মোস্তাফিজ। ৮০ বরে ৫৯ রান করেন তিনি। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই ব্যাটারকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি এনে দিলেন দ্য ফিজ।
মিডল অর্ডারে মুহাম্মদ আব্বাস চেষ্টা করেছিলেন কিউইদের রানের গতি বাড়াতে। কিন্তু ৩৬ বরে ২৫ রান করে তিনিও বিদায় নেন। দলীয় রান এ সময় ছিল ১২৪। ৭ম ব্যাটার হিসেবে মাঠে নেমে নাহিদ রানার শিকারে পরিণত হন জস ক্লার্কসন। ৬ষ্ঠ উইকেট হিসেবে তিনি আউট হন দলীয় ১৩৭ রানের মাথায়। ক্লার্কসন করেন ৬ রান।
আইএইচএস/