লিবিয়া উপকূল থেকে নৌকায় ১৮০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী গ্রিসের দক্ষিণ এজিয়ান দ্বীপ গ্রিসের ক্রিটে পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তারা দ্বীপের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় নেমে আসেন বলে জানিয়েছে এথেন্স ম্যাসিডোনিয়ান নিউজ এজেন্সি।
Advertisement
স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, তাদের তাৎক্ষণিকভাবে খাবার, পানি, প্রাথমিক চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরে তাদের নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
প্রথম ঘটনায় ইরাকলিওর দক্ষিণে কালি লিমেনেস উপকূলের কাছে ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স একটি নৌকা শনাক্ত করে। ওই নৌকায় ৬১ জন পুরুষ ছিলেন, যাদের মধ্যে ২৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। ঝুঁকিপূর্ণ এই যাত্রায় তারা দীর্ঘ সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে ক্রিটে পৌঁছান বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় ঘটনায় ভোরে চানিয়ার পালাইওচোরা এলাকার গ্রামেনো বিচে ২৮ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী উপকূলে পৌঁছান। স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।
Advertisement
গাভদোস দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে ফ্রন্টেক্সের টহল দল দুটি পৃথক নৌকা থেকে আরও ৯০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।
স্থানীয় প্রশাসনের ধারণা, নৌকাগুলো লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের এই রুটটি সাম্প্রতিক সময়ে তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যবহার হচ্ছে, যা মানবপাচার চক্রের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এর আগের দিন বুধবারও একই এলাকায় একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ছোট একটি নৌকায় আটকে পড়া ৩৮ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত পূর্ব লিবিয়া থেকে প্রায় আড়াই হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী ক্রিটে পৌঁছেছেন। উত্তর আফ্রিকার অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সংকট এবং নিরাপদ অভিবাসন পথের অভাবে ভূমধ্যসাগরীয় রুটে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা আরও বাড়ছে।
Advertisement
এমআরএম