ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগগুলোর মধ্যে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার (আইপিএল) লিগের চেয়ে জমজমাট আরকোনো লিগ নেই। চার-ছক্কার ফুলঝুরিও এখানেই বেশি। বিশ্বের নামিদামি সব টি-টোয়েন্টি তারকাদের দেখা যায় এই লিগে। বোলারদের ঘাম ছুটিয়ে গড়ে রানের পাহাড়।
Advertisement
বিশেষ করে গতকাল শনিবার যে ঝড় বয়ে গেছে বোলারদের ওপর তার রীতিমতো অবিশ্বাস্য। এমনকিছু আগে কখনোই দেখেননি আইপিএলের ভক্তরা। এদিন দুই ম্যাচ মিলিয়ে স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছে ৯৮৬ রান।
এখন পর্যন্ত আইপিএলের আগের ১৮ মৌসুমে কখনোই এক দিনে এত রান হয়নি। এক দিনে সর্বোচ্চ রামের রেকর্ড হয়েছিল ১৭তম মৌসুমে। ২০২৪ সালের ২৭ এপ্রিল দুই ম্যাচে উঠেছিল ৮৯৯ রান। তবে সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে গতকাল দিল্লি ক্যাপিটালস-পাঞ্জাব কিংস এবং রাজস্থান রয়্যালস-সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের রান। আর এই রানের রেকর্ডে সেভাবে আলোচনায় আসেনি সূর্যবংশির সেঞ্চুরি।
বৈভব সূর্যবংশির সেঞ্চুরিতে ২২৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় রাজস্থান রয়্যালস। তবে হায়দরাবাদের কাছে ৫ উইকেটে হেরেছে রাজস্থান। মাত্র ৩৬ বলে সেঞ্চুরি করে আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ১০৩ রান। যা কিনা আইপিএল ইতিহাসের তৃতীয় দ্রুততম। গত মৌসুমে তার ৩৫ বলের সেঞ্চুরিটা এখনো দুই নম্বরে আছে। যা আবার ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম। এই তালিকায় ২০১৩ সালে ৩০ বলে সেঞ্চুরি করা ক্রিস গেইল আছেন সবার ওপরে।
Advertisement
অন্য ম্যাচে পাঞ্জাবের কাছে ৬ উইকেটে হেরেছে দিল্লি। ২৬৫ রানের লক্ষ্য পাঞ্জাব টপকে যায় ৭ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এটা সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। আগের রেকর্ডটিও ছিল পাঞ্জাবের দখলে। ২০২৪ আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় তুলে নিয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
দিল্লির এই সংগ্রহের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন ৬৭ বলে ১৫২ রানের ইনিংস খেলা লোকেশ রাহুল। আইপিএলে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে এটা সর্বোচ্চ রানের ইনিংস আর সব মিলিয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
আইএন
Advertisement