বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি। রোববার (২৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
Advertisement
বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে এবং জিএসপি সুবিধার আওতায় বাংলাদেশ সুইস বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার ভোগ করছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ সুইস পণ্যের উচ্চ গুণগতমান সম্পর্কে অবহিত। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি উল্লেখ যোগ্য অংশ মধ্যবিত্ত শ্রেণির উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুইস পণ্যের দাম প্রতিযোগিতামূলক হলে তারা বেশি গ্রাহক আকর্ষণ করতে পারবেন। সে লক্ষ্যে সার্ভিস ওরিয়েন্টেড খাতে বিনিয়োগ বাড়ালে দুই দেশেরই লাভ হবে।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ওষুধশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, শিপ বিল্ডিং শিল্পের মতো সম্ভাবনাময় খাতে সুইস বিনিয়োগ বৃদ্ধি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ভিত দেবে।
Advertisement
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের প্রক্রিয়া তিন বছরের জন্য পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সুইজারল্যান্ডের সমর্থন প্রত্যাশা করে। দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বার অব কমার্সের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং যৌথ উদ্যোগ জোরদারের মাধ্যমে বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বাড়ানো সম্ভব।
রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ অনেক বেশি।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই ঘাটতির পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব। সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
এনএইচ/এমআইএইচএস