সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে দেখতে হুইলচেয়ারে করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন তার অসুস্থ স্বামী তৌফিক নেওয়াজ।
Advertisement
রোববার (২৬ এপ্রিল) দীপু মনিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এদিন দুপুরের দিকে তাকে দেখতে আসেন তৌফিক নেওয়াজ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দীপু মনিসহ ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সরকারের ৯ মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য ও সচিবকে এদিন কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
দীপু মনিকে দেখতে দুপুরের দিকে ট্রাইব্যুনালে আসেন তার স্বামী তৌফিক নেওয়াজ। এ সময় দেখা যায়, হুইলচেয়ারে করে তাকে নিয়ে আসছেন এক ব্যক্তি। ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এসে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন তৌফিক নেওয়াজ।
Advertisement
অন্যদিকে শুনানিতে দীপু মনির জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী সিফাত মাহমুদ। তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, দীপু মনি কারাবন্দি থাকার এক বছর পাঁচ মাস হয়ে গেলেও এখনো তার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। এ অবস্থায় দীপু মনির জামিন চান তিনি।
এ সময় ট্রাইব্যুনাল দীপু মনির বিষয়ে ‘প্রগ্রেস রিপোর্ট (অগ্রগতি প্রতিবেদন)’ দাখিলের আদেশ দেন।
আরও পড়ুনদীপু মনি গ্রেফতারচাঁদপুরে তিন মামলায় দীপু মনিকে শ্যোন অ্যারেস্ট
শুনানির এক পর্যায়ে আইনজীবী সিফাত মাহমুদ বলেন, দীপু মনির স্বামী ট্রাইব্যুনালে এসেছেন। তিনি দীপু মনির সঙ্গে দেখা করতে চান। ট্রাইব্যুনাল দেখা করার অনুমতি দেন।
Advertisement
শুনানি শেষে দীপু মনিসহ এ মামলার আসামিদের ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এরপর কয়েকজন পুলিশ সদস্য হুইলচেয়ারে থাকা দীপু মনির স্বামীকে ধরাধরি করে ট্রাইব্যুনালের ভেতরে নেন।
ডা. দীপু মনি চাঁদপুর-৩ আসন থেকে টানা চারবার আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। এরমধ্যে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে সেই সরকারের মন্ত্রিসভায় দেশের প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন তিনি। দশম সংসদ নির্বাচনের পর তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন।
২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর তিনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পান। দ্বাদশ সংসদে আওয়ামী লীগ সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে দীপু মনিকে গ্রেফতার করা হয়।
এফএইচ/বিএ