গত ২৬ এপ্রিল মিড ডে মিলে কাঁচা কলা দেওয়ায় ফরিদপুর সদর উপজেলার শহীদ সালাহ উদ্দীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোলাপী বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ২৮ এপ্রিল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহিউদদীন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
Advertisement
এ ঘটনা জানাজানি হলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের মাধ্যমে ক্ষোভ এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছেন নেটিজেনরা। তাদের দাবি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সাজা না দিয়ে একজন শিক্ষককে কেন বরখাস্ত করা হবে? তারা অবিলম্বে তাকে স্বপদে বহাল করার দাবি জানিয়েছেন।
খায়রুন নাহার লিপি লিখেছেন, ‘মনে রাইখেন গোলাপিকে এ কষাঘাত থেকে রক্ষা করার দায় সবার। জুলুমের বরখাস্তের রেওয়াজ বন্ধ করতে না পারলে শিক্ষকদের মুক্তি মিলবে না। কেউ বরখাস্ত হলে, শাস্তি পেলে খুশি হইয়েন না। তিনি ব্যক্তিগত অন্যায় করে বরখাস্ত হননি। বরং এ গোলাপির শাস্তির মধ্য দিয়ে বড় কোনো দোষিকে আড়াল করা হলো আর জাতিকে বোঝানো হলো শাস্তি কিন্তু দিছি। কিন্তু এ শাস্তি আমার কলিজায় লেগেছে। গোলাপি আপনি একা নন মনে রাখবেন। সবাই আপনার পাশে রয়েছে। অনতিবিলম্বে কলার দায়ে বরখাস্ত হওয়া থেকে আমার বোনের মুক্তি চাই। আর প্রহসন মানব না। অনৈক্যের ফলে আজকের এ অধঃপতন আমাদের... লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার।’
আরও পড়ুনকৃষক কার্ড পেয়ে ভাইরাল হওয়া কবির সত্যিই কৃষকমঈন উদ্দিন লিখেছেন, ‘মিড ডে মিল দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, তদারকি করে প্রশাসন আর বরখাস্ত হয় প্রাইমারি শিক্ষক।’
Advertisement
সৈয়দ রহমত আলম লিখেছেন, ‘দুঃখজনক। মিড ডে মিলের কারণে শিক্ষককে যদি চাকরি থেকে বরখাস্ত হতে হয়। তাহলে এগুলোর প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।’
আমার স্কুল আমার প্রাণ আইডিতে লেখা হয়েছে, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক যেন সমাজের সবচেয়ে বড় অপরাধী!’
রেজাউল করিম রিপন লিখেছেন, ‘ফরিদপুরে একটি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকাকে বরখাস্ত করা হয়েছে, যার সততা অতুলনীয়। যে কারণে তার শাস্তি হলো, তা মেনে নিতেই পারছি না। দয়াকরে তাকে সম্মানের সহিত স্বপদে ফিরিয়ে আনতে অনুরোধ করছি।’
প্রাথমিক শিক্ষা সংবাদ পেজে লেখা হয়েছে, ‘মিড ডে মিলে কাঁচা কলা রিসিভ করায় শাস্তির মুখে প্রাথমিক শিক্ষক।’
Advertisement
এসইউ