আইন-আদালত

মাদরাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যা প্ররোচনা, আসামির স্বীকারোক্তি

রাজধানীর রামপুরায় একটি হিফজ মাদরাসার শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলার গ্রেফতার আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

Advertisement

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালতে আসামি শিহাব হোসেন (১৯) স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানান। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার বক্তব্য রেকর্ড করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট নারী ও শিশু জিআর শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ।

আরও পড়ুন বনশ্রীতে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকার, রিমান্ড শেষে আসামি কারাগারে

মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে রাতে রামপুরা থানাধীন বনশ্রী সি-ব্লকে অবস্থিত একটি হিফজ মাদরাসা থেকে এক শিশু শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় তদন্তকারীরা যৌন নির্যাতনের প্রাথমিক আলামত পেয়েছেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

তদন্তের একপর্যায়ে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিহাব হোসেনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে আসে। তারা দাবি করেন, এর আগেও মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উঠেছিল।

ঘটনার পরদিন শিশুটির মা বাদী হয়ে রামপুরা থানায় মামলা করেন। মামলায় শিহাব হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির আত্মহত্যায় প্ররোচনাসংক্রান্ত ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে গত ১৯ মে রাতে পাবনার বেড়া উপজেলার একটি এলাকা থেকে শিহাবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে আদালত তাকে প্রথমে পাঁচ দিনের এবং পরে অন্য একটি মামলায় আরও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান।

মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

এমডিএএ/এসএইচএস