দুর্নীতি ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) মো. আকতারুল ইসলাম।
Advertisement
তিনি বলেন, দুর্নীতি মামলার আসামি আওয়ামী লীগ সরকার আমলের বহুল আলোচিত ও সমালোচিত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেবে দুদক।
রোববার (১৪ জুন) বিকেলে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন বেনজীর আহমেদকে কি ফেরানো সম্ভব, কী বলছে দুই দেশের চুক্তিআকতারুল ইসলাম বলেন, পাসপোর্ট জালিয়াতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ ইস্যু করা হয়েছিল। এর মধ্যে পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় তাকে দুবাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে জেনেছি। সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে সহযোগিতা চেয়েছিলাম। সেই ধারাবহিকতায় গ্রেফতার হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি।
Advertisement
তিনি আরও বলেন, তাকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে সরকারের স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়ে চিঠি দেওয়া হবে। শিগগির এমন উদ্যোগ নিয়ে বেনজীর আহমেদকে ফিরিয়ে আনা হবে।
সাবেক এ আইজিপির বিরুদ্ধে দুদকের ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিচার চলছে। বাকি পাঁচটি মামলার তদন্ত চলমান।
আরও পড়ুন দুদকের মামলায় দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর আহমেদ, পরবর্তী পদক্ষেপ কীএর আগে ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ‘রেড নোটিশ’ জারি করে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল)।
দুদকের যে দুই মামলায় রেড নোটিশ ইস্যু করে ইন্টারপোলদুদক সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর পরিচয় গোপন করে পাসপোর্ট নবায়ন ও জালিয়াতির অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। বেনজীর ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— পাসপোর্টের সাবেক পরিচালক ফজলুল হক, মুন্সী মুয়ীদ ইকরাম, টেকনিক্যাল ম্যানেজার সাহেনা হক ও বিভাগীয় পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন।
Advertisement
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর গত বছর অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং অর্থনৈতিক অনিয়মের অভিযোগে এসব মামলা করা হয়।
এসএম/কেএসআর