যুক্তরাজ্যের ডানপন্থি কর্মী টমি রবিনসন (স্টিফেন ইয়াক্সলি-লেনন) সম্প্রতি আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন।
Advertisement
শনিবার (১৩ জুন) রাশিয়া সফর শেষে যুক্তরাজ্যে ফেরার সময় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ সন্ত্রাসবিরোধী সীমান্ত আইনের আওতায় তার পরিচয় ও মোবাইল জব্দ করা হয়। রবিনসন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক হয়রানি হিসেবে দাবি করলেও কর্তৃপক্ষ জানায়, জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
টমি রবিনসন দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসনবিরোধী রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ। তিনি যুক্তরাজ্যে অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, কঠোর সীমান্ত ব্যবস্থা এবং জাতীয় পরিচয় রক্ষার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন।
Advertisement
তার সমর্থকেরা মনে করেন, তিনি সাধারণ মানুষের অভিবাসন, অপরাধ ও সামাজিক পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তবে সমালোচকেরা অভিযোগ করেন, তার বক্তব্য অনেক সময় মুসলিম ও অভিবাসী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিভাজন তৈরি করে।গত কয়েক বছরে রবিনসন আবার সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েছেন।
তিনি বড় জনসমাবেশ আয়োজন করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালিয়েছেন এবং অভিবাসন ইস্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছেন। একই সঙ্গে তার বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। আদালত অবমাননার মামলাসহ বিভিন্ন আইনি সমস্যায়ও তিনি জড়িয়েছেন।
টমি রবিনসনের ঘটনা যুক্তরাজ্যের বৃহত্তর রাজনৈতিক বিতর্ককে তুলে ধরে যেখানে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সামাজিক সম্প্রীতি নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।
তার সমর্থকদের কাছে তিনি একজন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর, আবার সমালোচকদের কাছে তিনি বিভাজনমূলক রাজনীতির প্রতীক। হিথ্রো বিমানবন্দরের ঘটনা এই দীর্ঘস্থায়ী বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে।
Advertisement
এমআরএম