ভবন নির্মাণের পর দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত থাকা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সিলেট জেলা হাসপাতাল অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে।
Advertisement
সোমবার (১৫ জুন) সামাজিক মাধ্যম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আজ সিলেটে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবার অধিকতর সুযোগ পাবে। সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এই উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। সিলেটের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক।”
তবে এ বিষয়ে জানতে বাণিজ্যমন্ত্রীর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
Advertisement
উল্লেখ্য, নগরীর ঐতিহ্যবাহী আবু সিনা ছাত্রাবাস ভেঙে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয়। ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও বিভিন্ন জটিলতায় হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ভবনটি দীর্ঘদিন প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল।
এরপর থেকে হাসপাতালটি চালুর জন্য বিভিন্ন মহল থেকে দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনটি কাউকে হস্তান্তর করতে পারছিল না। গত ২০ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। সর্বশেষ গত ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট সফরে এসে হাসপাতালটি দ্রুত চালু করার আশ্বাস দেন।
১৫তলা নকশার ভবন বিশিষ্ট হাসপাতালটিতে আইসিইউ, সিসিইউ, আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ডায়াগনস্টিক সুবিধা, বহির্বিভাগ, ওয়ার্ড এবং কেবিন সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে ১৯টি আইসিইউ বেড, ৯টি সিসিইউ বেড ও ৪০টি কেবিন রয়েছে।
হমেদ জামিল/এএইচ/এএসএম
Advertisement