খেলাধুলা

বিশ্বকাপে গেলে কী হতো? হার্শা ভোগলের মন্তব্যে লিটনেরও সম্মতি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গেলো আসরে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ। নিরাপত্তা ইস্যুতে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল বিসিবি। তবে আইসিসি সেই চিঠির উত্তরে বলেছিল বিশ্বকাপ খেলতে হলে ভারতেই খেলতে হবে। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপেই আর যাওয়া হয়নি লিটনের দলের। বিশ্বকাপের পর নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তানের পর অস্ট্রেলিয়াকেও সিরিজ হারিয়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশের এমন পারফরম্যান্স দেখে ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে বলেছেন বাংলাদেশ গেল বিশ্বকাপ খেললে ইম্প্যাক্ট রাখতে পারতো। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে তাতে সায় দিলেন টাইগার অধিনায়ক লিটনও।

Advertisement

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গত সপ্তাহে প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। সিরিজ জয়ের দিন ভোগলে টুইট করেন, ‘বাংলাদেশকে ভালো করতে দেখে সত্যিই ভালো লাগছে। দলে বেশ কিছু দারুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে যদি নিজেদের ব্যবহার হতে না দিতো এবং পরে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার পরিস্থিতিতে না পড়তো, তাহলে তারা টুর্নামেন্টে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারতো।’

২০২৫ সালে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর লিটন দলটাকে গুছিয়ে ফেলেছিলেন। যে কোনো সময়ের চেয়ে বাংলাদেশ ওই সময়ে টি-টোয়েন্টিতে ধারাবাহিকভাবে ভালো করছিল। এমন অবস্থায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলাটা যে কোনো অধিনায়কের জন্য হতাশার। এরপর এখন যখন ভোগলের এই মন্তব্য দেখেন তখন কতটা আক্ষেপ হয়!

এমন প্রশ্নে লিটন বলেন, ‘যারা এ ধরনের মন্তব্য করেন, তারা বিষয়টি বুঝেই করেন। আমার মনে হয়, উনি দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পর্যবেক্ষণ করছেন, অনেক ম্যাচ দেখেছেন। তাই তার কাছে এমনটা মনে হয়েছে।’ লিটনের কাছেও মনে হয় বিশ্বকাপে গেলে বাংলাদেশ ভালোই করত, ‘আমার কাছেও মনে হয়, গত বছর আমরা খুব ভালোভাবে প্রস্তুত ছিলাম। যেহেতু টুর্নামেন্টটা এশিয়ায় হওয়ার কথা ছিল, সে হিসেবে আমাদের দলও বেশ ভালো অবস্থায় ছিল।’

Advertisement

লিটন আরও বলেন, ‘তবে না খেলেই তো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায় না। আমরা সেদিন কেমন খেলতাম, সেটা নির্ভর করত মাঠের পারফরম্যান্সের ওপর। অধিনায়ক হিসেবে আমি বলতে পারি, তখন আমার দল ভালো ছন্দে ছিল। ক্রিকেট খেলার জন্য সবার মধ্যে দারুণ উৎসাহ ও আগ্রহ ছিল।’

এসকেডি/আইএন