সাহিত্য

মাসুদ চয়নের কবিতা: অনন্ত অক্ষমতা

পৃথিবী তখন উদ্দেশ্যপ্রবণ উন্মাতাল, রেজিমেন্ট রুলস,অথৈ সৈন্য-সামন্ত—গুলিবিদ্ধ প্রকৃতি, একপায়ে দাঁড়িয়ে আমি।খুব করে চাইছিলাম—আরেকটু দাঁড়িয়ে থাকতে,দাঁড়ানোর ভাড় কি যে নির্দয় স্পর্শকাতর ছিল। অন্তত টিকে থাকতে—চোখজুড়ে নিস্তেজ প্রচ্ছন্নতা।নাগরিক চাঞ্চল্য ভেদ করে গুলিবর্ষণ চলছিল অনবরত—অতীতে হাতড়ে খুঁজেছিলাম যাকে, সে আমার বাল্যবন্ধু, ফারিহা তাবাসসুম অর্চি—

Advertisement

আরও পড়ুন মাসুদ চয়নের তিনটি কবিতা

স্পষ্টতর প্রাণচিত্র—চোখে-মুখে আনন্দের সংযোগ,কপোল বেয়ে অশ্রু ঝরার তিলকচিহ্নও নেই।কত স্বাভাবিক!রহস্য! কী করে ভুলে গেল—এমন মৃত্যুদশায়—আর রেজিমেন্ট রুল ভাঙা গেল না।হয়তো মোস্তাফিজুর, ফারুক সাদিক, সোহাগ, রিপনেরা আছে।আর ডাকা হলো না।

আরও পড়ুন সুখের সরোবরে তোমার উপমা

সেই নির্জন মৃত্যুদশায় শূন্য ও আকাশ ছিল শুধু।এরপর শত শতাব্দী কেটে গেলে মনে হলো—কবিতায় গুলিবিদ্ধ প্রকৃতি আর কখনো কি ফিরবে?যদি ফিরত আবার—কী অদ্ভুত! এ কথা শুনেইসে ফিরে এলো, আর জানালো—পৃথিবীতে মানুষ, প্রকৃতি মেঘাচ্ছন্ন,অথৈ সৈন্য-সামন্ত, রেজিমেন্ট রুল জারি।একপায়ে দাঁড়িয়ে থেকো চিরকাল—মৃত্যুর অনিবার্য গন্তব্যে জীবিত হবে যখন... তখন...!

এসইউ

Advertisement