জাতীয়

অঙ্গুলি নির্দেশ এক্সপাঞ্জ করা যায় না, বক্তব্য হলে দেখা হবে: স্পিকার

সংসদে একজন সদস্যের প্রতি ‘অঙ্গুলি নির্দেশ’ করার অভিযোগ এক্সপাঞ্জের দাবির বিষয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, অঙ্গুলি নির্দেশ এক্সপাঞ্জ করা যায় না; অসংসদীয় বক্তব্য থাকলে তা পরীক্ষা করে দেখা হবে।

Advertisement

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার একপর্যায়ে নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর দাবির উত্তরে স্পিকার এসব কথা বলেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, ‘বিরোধীদলের একজন সিনিয়র সদস্য মাদক, মদ ও সিগারেট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন, এই সংসদে যারা রয়েছেন, তার পেছনের সারিতে তারা মাদক গ্রহণ করেন না। আমাদের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করেছিলেন যে, মাদক গ্রহণ উনারা করেন না, আমরা করি।’

আরও পড়ুন বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি হত্যা মানবাধিকার লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘আমরা কখনো সরকারি দলের সদস্য হোক, বিরোধীদলের সদস্য হোক, সম্মানহানি হয় এ ধরনের কথা বলি না, বলবোও না। আমি রোববারের সেই আর্কাইভ থেকে আপনার কাছে অনুরোধ করছি, আমাদের প্রতি যে অঙ্গুলি নির্দেশ করেছিলেন, সেটা এক্সপাঞ্জ করা হোক।’

Advertisement

জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি পরীক্ষা করে দেখবো যে বিরোধীদল থেকে কোনো অসংসদীয় কথা বলা হয়েছে কি না, সেটা আমরা পরীক্ষা করে দেখবো। কত তারিখে বলেছেন, সেটাও সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করবেন।’

তিনি বলেন, ‘আরেকটা আপনি বলেছেন যে অঙ্গুলি নির্দেশ করেছে, ওটাও এক্সপাঞ্জ করে দিতে। অঙ্গুলি নির্দেশ তো এক্সপাঞ্জ করা যাবে না। কথাবার্তা হলে সেটাকে এক্সপাঞ্জ করা যাবে।’

আরও পড়ুন সংসদের চেয়ারে এমপিদের হাত কেটে যাচ্ছে, এগুলো দেখা দরকার: জয়নুল আবদিন

এর আগে বাজেট আলোচনায় রফিকুল ইসলাম হেলালী বলেন, মাদক মামলায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা দ্রুত জামিন পেয়ে যাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহে আমার নির্বাচনি এলাকায় এক মাদকসেবীকে গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ ভাইয়েরা থানায় আসার আগেই সেই মাদকসেবীকে থানার সামনে চায়ের দোকানে চা খেতে দেখা গেছে।’

Advertisement

মাদক মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসামিরা যাতে জামিন না পান, সে বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের ‘সুস্পষ্ট ও কড়া নির্দেশনা’ চান হেলালী।

এমওএস/বিএ