যুদ্ধের কারণে বিশ্বকাপে ইরানের জন্য কঠিন সব শর্তজুড়ে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সবগুলো ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্র হওয়ায় সেখানে আগের দিন পৌঁছে ম্যাচ শেষ করেই বেস ক্যাম্প মেক্সিকোর তিহুয়ানার উদ্দেশে ছেড়ে যেতে হবে ভেন্যু। আবার স্কোয়াডের একাধিক সদস্য পায়নি ভিসাও।
Advertisement
তবে এবার ইরানের ভ্রমণের কঠোর বিধিনিষেধগুলো পরিবর্তন আনার বিষয়টি বিবেচনা করার কথা ভাবছে হোয়াইট হাউস।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-২ সমতায় নিজেদের প্রথম ম্যাচ ড্র করার পর ইরানের কোচ আমির ঘালেনুই ইরানকে এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘নিপীড়িত দল’ হিসেবে দাবি করেন।
হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক আন্দ্রে জিইউলিয়ানি কথা জানিয়েছেন, মিসরের বিপক্ষে ইরানের তৃতীয় গ্রুপ ম্যাচকে ঘিরে ‘আলোচনা চলমান রয়েছে’ তাদের যাতায়াত ব্যবস্থায় পরিবর্তনের বিষয়ে। ইরানের প্রথম দুটি ম্যাচ লস অ্যাঞ্জেলেসে। আর মিশরের বিপক্ষে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে সিয়াটলে। মেক্সিকোর তিহুয়ানা থেকে সেখানে ভ্রমণ করতে সময় লাগে ৩ ঘন্টারও বেশি। তাই সবকিছু বিবেচনা করে ‘আলোচনা চলছে’ কিছু পরিবর্তনের জন্য।
Advertisement
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কোমো টিভিকে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট চান মাঠের প্রতিযোগিতার ভারসাম্য বজায় রাখতে, একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তাও যেন বিঘ্নিত না হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই ইরান দল এখানে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পূর্ণ সুযোগ পাক। ইরান দলের জন্য আমরা যা করেছি, তা অসাধারণ। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কৃতিত্ব রয়েছে।’
জিউলিয়ানি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন, যাতে ইরান দল যুক্তরাষ্ট্রে এসে বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারে। তবে এই আলোচনায় ইরানের অংশগ্রহণ আছে কি না, এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
অন্যদিকে, ইরান ফুটবল ফেডারেশন বলেছে, প্রতিটি ম্যাচের অন্তত দুই দিন আগে ভেন্যুর শহরে পৌঁছানো এবং ম্যাচের পরদিন বেস ক্যাম্পে ফেরার সুযোগ পাওয়া উচিত, যাতে খেলোয়াড়রা সর্বোত্তম শারীরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি নিতে পারেন।
Advertisement
আইএন