দেশজুড়ে

রংপুরে বেড়েছে ডিম-মুরগির দাম, স্থিতিশীল সবজির বাজার

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে মুরগিসহ আদার। তবে দাম কমেছে কাঁচামরিচের। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অধিকাংশ সবজিসহ চাল-ডাল, আটা-ময়দা, পেঁয়াজ ও মাছ-মাংসের।

Advertisement

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৫০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩০-৩৪০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩১০-৩২০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার গত সপ্তাহের মতোই ৩৩০-৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি ৩২-৩৪ টাকা বেড়ে ৪০-৪২ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আল আমিন বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে। সাধারণত মাসের প্রথম সপ্তাহে মুরগির চাহিদা বেড়ে যায়। সেই তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ে।

Advertisement

এদিকে সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো ১৪০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২০০-২২০ টাকা, গাজর ১৮০-২০০ টাকা থেকে কমে ১৬০-১৮০ টাকা, কাঁকরোল গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা, ঝিংগা ৩৫-৪০ টাকা, চালকুমড়া প্রতিপিস (আকারভেদে) ২৫-৩০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০-৩৫ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, সজনে ১৮০-২০০ টাকা থেকে কমে ১১০-১২০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা, লেবুর হালি আগের মতো ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৫০-৬০ টাকা, গোল বেগুন ৬০-৭০ টাকা, পটল ২৫-৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৩০-৪০ টাকা, করলা ৩৫-৪০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৩০-৪০ টাকা, কচুরলতি ৪০-৫০ টাকা, কচুরমুখী ৫০-৬০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ১৮০-২০০ টাকা বেড়ে ২০০-২৫০ টাকা, রকমভেদে শাকের আঁটি ১০ থেকে ২৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৩৫০-৪০০ টাকা, কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ২০-২৫ টাকা, সাদা আলু গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩০-৩৫ টাকা, শিল আলু ৪৫-৫০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ ১০০-১২০ টাকা থেকে কমে ৮০-১০০ টাকা, পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা, দেশি আদা ১৮০-২০০ টাকা বেড়ে ২০০-২২০ টাকা, আমদানি করা আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৪০-১৬০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ২০০-২২০ থেকে কমে ১৬০-১৮০ টাকা।

ধাপ বাজারের সবজি বিক্রেতা কবীর হোসেন বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে দুই-একটি সবজির দাম বড়লেও হলেও অধিকাংশ সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০৫-২১০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০৫-১১০ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Advertisement

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৫৮ টাকা, বিআর২৮- ৬০-৬৫ টাকা, বিআর২৯- ৫৫-৬০ টাকা, জিরাশাইল ৫০-৬০ টাকা, মিনিকেট এবং নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাস ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জিতু কবীর/এনএইচআর/এএসএম