বিশ্বকাপের পর প্রথমবার সান্তোসের জার্সিতে মাঠে নেমেই জোড়া গোল করেছেন নেইমার। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন তিনি চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে। ম্যাচটি ড্র হয় ২-২ গোলে।
Advertisement
ম্যাচের পর ইনস্টাগ্রামের একটি পোস্টে লাইক দিয়েছেন নেইমার। যেখানে বিশ্বকাপে নেইমারের প্লেইং টাইমের সমালোচনা করা হয়। সান্তোসের হয়ে পুরো ৯০ মিনিট তাকে মাঠে দেখার পর ওই সমর্থক নেইমারকে বিশ্বকাপে পুরো সময় নয়া খেলানোর কড়া সমালোচনা করেন। অভিযোগ করেন, ফিট থাকার পরও তাকে মাঠে নামায়নি বা পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেয়নি। এমন সিদ্ধান্তই দলের বিদায়ের অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মন্তব্য করা হয়।
পোস্টটিতে আরও বলা হয়, শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রুনো গিমারাইসের পেনাল্টি মিসের সময় নেইমার মাঠে থাকলে তিনিই হয়তো শটটি নিতেন।
নেইমার যে পোস্টটিতে লাইক করেছেন সেখানে লেখা ছিল, ‘আজ নেইমার দেখিয়ে দিলেন তিনি ৯০ মিনিট খেলতে পারেন। তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায় — তাকে কি সত্যিই বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন ছিল, নাকি ব্রাজিল দল অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল?’
Advertisement
বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল দলের মেডিকেল বিভাগ নেইমারের ডান পায়ের কাফে গ্রেড-২ এডিমা শনাক্ত করে। এ কারণে মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামেন তিনি।
এরপর শেষ বত্রিশের ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে খেলাননি। নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচেও দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নামেন নেইমার। তখনও ম্যাচটি ছিল গোলশূন্য। পরে আরর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল। যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করলেও ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় সেলেসাওরা।
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের ২০ দিন পর সান্তোসের হয়ে প্রথমবারের মতো পুরো ৯০ মিনিট খেললেন নেইমার। জোড়া গোলের পাশাপাশি বিশ্বকাপে তাকে সীমিতভাবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে আলোচনারও জন্ম দিলেন এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার।
আইএন
Advertisement