রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবির হাসান হিমেল বলেছেন, রাকসু ভবনের ভিপি ও জিএসের চেম্বারে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হয়, বোমা বানানো হয়, অস্ত্রের ট্রেনিং করানো হয়, শিক্ষার্থীদের রগ কাটা হয়। মূলত এসব কার্যক্রমের জন্যই রাকসু ভবনে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো নেই।
Advertisement
তিনি আরও বলেন, রাকসু ভবনে যদি পুলিশ রেইড দেয় তাহলে অস্ত্রের কারখানা পাওয়া যাবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে প্রেমঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির ও রাকসু সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে লাইব্রেরিতে হামলার প্রতিবাদ ও দোষীদের বিচারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন ছাত্রদলের এই নেতা।
আরও পড়ুন জ্ঞানচর্চার পরিবেশ নষ্ট করতেই লাইব্রেরিতে হামলা: রাবি ছাত্রদল সভাপতিতিনি আরও বলেন, ‘আমরা যেকোনো ডিপার্টমেন্টে দেখি, সব জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো আছে। কিন্তু রাকসু ভবন কী এমন যে, সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়নি?’
Advertisement
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, “লাইব্রেরির মতো একটি নিরাপদ স্থান, যেখানে জ্ঞানচর্চা হয়; সেই জ্ঞানচর্চার পরিবেশে হামলা চালিয়েছে ‘জঙ্গি’ শিবিরের নেতাকর্মীরা। শিক্ষার্থীদের ছাত্রলীগের নাম দিয়ে মব সৃষ্টি করে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে।’
এ বিষয়ে রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির জাগো নিউজকে বলেন, ‘ছাত্রদল নেতা হিমেল রাকসুকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ছাত্রদলের প্রতি আহ্বান থাকবে, আপনারা সুস্পষ্টভাবে এর প্রমাণ দিন। প্রমাণ দিতে না পারলে রাকসুর সভাপতি ও প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আইনত ব্যবস্থা নেবো।’
এসআর/জেআইএম
Advertisement