দেশজুড়ে

একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন সোনার বৈধ আমদানির পথ রুদ্ধ করে রেখেছে

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপতি এনামুল হক খান বলেছেন, সোনা কোনো ‘স্মাগলিং পণ্য’ নয়। কিছু অসাধু ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও বিদেশি চক্রের সিন্ডিকেটের কারণে এতদিন সোনার বৈধ আমদানি ও ব্যবসার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

Advertisement

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে যশোরে খুলনা বিভাগীয় সোনার ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জুয়েলার্স সমিতির নেতারা অংশ নেন।

এনামুল হক খান বলেন, যে পণ্য স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা ব্যবহার করেন, সেটিকে স্মাগলিং পণ্য বলা যায় না। দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেট সোনার বৈধ আমদানির পথ রুদ্ধ করে রেখেছিল।

তিনি বলেন, সোনার খাতকে একটি সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলায় এনে রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপান্তরের ওপর জোর দিয়েছে সরকার। সোনার খাতকে ফরম্যালাইজড ও শৃঙ্খলবদ্ধ করতে ভ্যাট, টার্নওভার ট্যাক্স এবং উৎস কর হ্রাসসহ সরকারের নীতিগত সহযোগিতা পাওয়া গেছে। বৈধ উপায়ে সোনা আমদানির সুযোগ তৈরি হওয়ায় দেশীয় সোনা খাত রপ্তানির নতুন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক জুয়েলারি রপ্তানির তালিকায় শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য ব্যক্ত করেন বাজুস সভাপতি।

Advertisement

বাজুস সভাপতি বলেন, সরকার সোনা ব্যবসায়ীদের যে সুযোগ দিয়েছে, শতভাগ কাজে লাগাতে চাই। সোনার আমদানিতে সহজীকরণ হতে যাচ্ছে। লাইসেন্সের মাধ্যমে আমদানি করতে পারবেন সব ব্যবসায়ী। এসময় বাজুস সভাপতি এ খাতকে দেশীয় বাজারকে সমৃদ্ধ করে সোনার বাজার বিদেশের মাটিতে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

যশোর জেলা বাজুসের সভাপতি রকিবুল ইসলাম চৌধুরী সঞ্জয়ের সভাপতিত্বে সভায় বাজুসের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আজাদ আহমেদ, সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সমীর ঘোষ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীনসহ খুলনা বিভাগীয় কমিটির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মিলন রহমান/কেএইচকে/জেআইএম

Advertisement