দেশজুড়ে

পটুয়াখালীতে ধরা পড়লো ২৬ কেজির ভোল মাছ, ৩৫ হাজারে বিক্রি

পটুয়াখালীর আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ২৬ কেজি ওজনের একটি সামুদ্রিক ভোল মাছ ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে শনিবার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকেই অবতরণ কেন্দ্রে জেলে, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে।

Advertisement

জানা গেছে, এমবি সিফাত নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলে রহিম মাঝি বঙ্গোপসাগরের সোনারচর এলাকায় জাল ফেললে মাছটি ধরা পড়ে। পরে সেটি আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের সিফাত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আড়তে তোলা হলে নিলামের মাধ্যমে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

জেলে রহিম মাঝি বলেন, জাল তোলার সময় বড় একটি মাছ উঠে আসে। পরে বুঝতে পারি এটি বড় আকারের ভোল মাছ। এমন মাছ খুব কমই ধরা পড়ে। ভালো দাম পাওয়ায় আমরা আনন্দিত।

মাছটির ক্রেতা আড়তদার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মাছটির ওজন ২৬ কেজি। আকার বড় এবং মান ভালো হওয়ায় ৩৫ হাজার টাকায় কিনেছি। এটি ঢাকার একটি পাইকারি বাজারে পাঠানো হবে। বড় আকারের ভোল মাছের চাহিদা সবসময়ই বেশি।

Advertisement

আরও পড়ুন ১২ বছরে দাসিয়ারছড়া ছিটমহল, স্বতন্ত্র ইউনিয়ন দা‌বি

মৎস্যবিজ্ঞানীদের মতে, ভোল মাছ (সিয়েনিডি) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশে এটি সাধারণভাবে সামুদ্রিক ভোল নামে পরিচিত। বঙ্গোপসাগরের মোহনা, উপকূলীয় অগভীর সমুদ্র এবং কাদামাটিযুক্ত তলদেশে এ মাছ বেশি বিচরণ করে। বর্ষাকাল ও বর্ষা-পরবর্তীসময়ে এদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ভোলা মাছ বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সামুদ্রিক মাছ। সাধারণত বড় আকারের ভোল মাছ খুব বেশি ধরা পড়ে না। ২৬ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ ধরা পড়া নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এ ধরনের মাছের বাজারমূল্যও তুলনামূলক বেশি হয়। ভোল মাছ উচ্চমানের প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ হওয়ায় এর পুষ্টিগুণ অনেক এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এনএইচআর/এএসএম

Advertisement