ভাত রান্নার পর অনেকেই ভাতের মাড় ফেলে দেন। অথচ এই মাড়েই লুকিয়ে আছে ত্বক ও চুলের যত্নের সহজ সমাধান। আপাতদৃষ্টিতে অপ্রয়োজনীয় মনে হলেও ভাতের মাড়ে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই ও বি-কমপ্লেক্সসহ ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো উপকারী উপাদান।
Advertisement
তাই শুধু খাবার নয়, রূপচর্চাতেও এর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয় - বিশেষ করে কোরিয়ান ও জাপানি বিউটি রুটিনে চালের পানি বা মাড়কে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ধরা হয়।
চলুন জেনে নেওয়া যাক রূপচর্চায় ভাতের মাড়ের উপকারিতা -১. ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণে সহায়কভাতের মাড় ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষণ করতে সাহায্য করে। এতে ত্বক কম তেলতেলে দেখায় এবং স্বাভাবিক ম্যাট ফিনিশ আসে। তেলতেলে বা কম্বিনেশন ত্বকের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী।
২. জ্বালা ও লালচে ভাব কমায়সংবেদনশীল ত্বকে প্রায়ই জ্বালা বা লালচে ভাব দেখা যায়। ভাতের মাড় ত্বককে শীতল করে এই অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে।
Advertisement
৩. ত্বক মসৃণ করে, মেকআপ ভালো বসেনিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক নরম ও মসৃণ হয়। ফলে মেকআপ প্রোডাক্ট ত্বকে সহজে সেট হয় এবং ফিনিশিং আরও সুন্দর লাগে।
৪. চুলের যত্নে কার্যকরভাতের মাড় হেয়ার মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে স্ক্যাল্পের অতিরিক্ত তেল কমাতে সাহায্য করে। এতে চুল দেখতে ফ্রেশ লাগে এবং ধীরে ধীরে চুলের ঘনত্ব বাড়াতেও সহায়তা করতে পারে।
৫. ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করেচালের মাড়ে থাকা প্রাকৃতিক এনজাইম ও ভিটামিন ত্বকের ভেতরে কাজ করে। এটি ধীরে ধীরে কালচে দাগ, ব্রণের দাগ ও পিগমেন্টেশন হালকা করতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের নিস্তেজ ভাব কমে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার, সতেজ ও উজ্জ্বল দেখায়।
ব্যবহারের সময় যা খেয়াল রাখবেনভাতের মাড় ব্যবহারের আগে তা পরিষ্কার ও ঠান্ডা করে নিন। সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করা ভালো। দীর্ঘসময় জমিয়ে রাখা মাড় ব্যবহার না করাই নিরাপদ।
Advertisement
সূত্র: মিইয়ে ডট কেয়ার, সোলে টোসকানা স্কিনকেয়ার, প্লাম গুডনেস
সানজানা রহমান যুথী/এএমপি/এএসএম