বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, পাটের বহুমুখী চাহিদা বাড়ছে। পাট ও পাটজাত পণ্য অতীতের জৌলুস হারিয়েছে, এমন ধারণা বাস্তবতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ নয়। পাটকলগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পণ্যের গুণগত মান ও বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার নানা নীতি সহায়তা দিচ্ছে।
Advertisement
রোববার (২৬ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বৈশ্বিক পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের ফলে প্রাকৃতিক ও জৈবপচনশীল তন্তু হিসেবে পাটের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশের পাটকলগুলো তাদের বিদ্যমান সক্ষমতা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা পূরণে সচেষ্ট রয়েছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ দিয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর মাধ্যমে দেশীয় চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, পাটকলগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পণ্যের গুণগত মান ও বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার নানামুখী নীতি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ ও পরামর্শ সভার মাধ্যমে তাদের সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা চিহ্নিত এবং প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা হচ্ছে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাজার ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাট খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসইভাবে উন্নত করার লক্ষ্যে ‘পাট আইন, ২০১৭’ এবং ‘জাতীয় পাটনীতি, ২০১৮’ সময়োপযোগীভাবে হালনাগাদ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
এমওএস/একিউএফ