জোবায়ের হোসাইন
Advertisement
পতাকা, জাতীয় সংগীত আর এই মাটি! এগুলোই এই মাটির সন্তানদের পরিচয়। এগুলোই আমাদের নিঃশ্বাস, আমাদের অস্তিত্ব।
দেশ ছেড়ে দূরে থাকা প্রবাসী ভাই-বোনদের দেখেছি, যখনই তাদের চোখে লাল-সবুজের পতাকা ভেসে উঠছে; তখন তাদের কাছে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তই যেন এক মুহূর্তে নিজের বাড়ি হয়ে গেছে।
সুযোগ পেলেই তারা চেষ্টা করেন দেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে। বেশিরভাগকে দেখেছি অফিসে নিজের ডেস্কে পতাকা রাখতে, না হয় দেশের কোনো না কোনো সুভেনিয়র রাখতে।
Advertisement
আমরাও কোথাও, কোনো দূর দেশে, হঠাৎ যদি লাল-সবুজ পতাকা উড়তে দেখি অচেনা ভিড়ের মাঝেও বুকটা কেঁপে ওঠে। মনে হয় কেউ যেন নিজের নাম ধরে ডাকছে। বুকের ভেতর অদ্ভুত এক টান, এক অশ্রু-ভেজা গর্ব জেগে ওঠে। মনে পড়ে, এটাই তো আমাদের রক্তে লেখা পরিচয়।
আজ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে মিউজিক কম্পোজার সঞ্জয়ের কস্টিউমটা চোখে পড়তেই আবারও সেই অনুভূতিটাই হলো। হাতে এই মাটির গর্ব রয়েল বেঙ্গল টাইগার, শাপলা, আর লাল-সবুজ পতাকা। যেন পুরো বাংলাদেশ একসাথে দাঁড়িয়ে আছে তার বাহুতে।
আরও পড়ুন দীপ্তিকে বিয়ের পর মুশতাক / ‘আপনাদের প্রতিটি বার্তা আমাদের সাহসের উৎস’আহা দেশ... আহা মাটি... এই মাটির গন্ধেই যে জীবন, এই পতাকার ছায়াতেই যে স্বপ্ন!
লেখক: কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক, জাতীয় যুবশক্তি।
Advertisement
এসইউ