প্রশ্ন: এক সালামে ছয় রাকাত নফল নামাজ পড়া যাবে?
Advertisement
উত্তর: দিন ও রাতের নফল নামাজ এক সালামে চার রাকাত করে পড়া উত্তম, দুই রাকাত করে পড়াও জায়েজ।
দিনের নফল নামাজে এক সালামে চার রাকাতের বেশি পড়া মাকরুহ। আর রাতের নফল নামাজে এক সালামে আট রাকাতের বেশি পড়া মাকরুহ।
রাতে এক সালামে ছয় বা আট রাকাত নফল নামাজ পড়া অনুত্তম হলেও মাকরুহ নয়।
Advertisement
আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি আয়েশাকে (রা.) জিজ্ঞেস করলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজান মাসে কত রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করতেন? তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমাজান অথবা অন্য সময় ১১ রাকাতের বেশি নফল নামাজ আদায় করতেন না। প্রথমে চার রাকাত আদায় করতেন। কী রকম একাগ্রতা নিয়ে ও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে তিনি সেই নামাজ আদায় করতেন সে বিষয়ে তুমি জিজ্ঞেস করো না। তারপর আবার চার রাকাত নামাজ আদায় করেন। ওই চার রাকাত নামাজও তিনি অসাধারণ একাগ্রতা নিয়ে ও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে আদায় করতেন। এরপর ৩ রাকাত নামাজ আদায় করতেন। (শামায়েলে তিরমিজি)
আরও পড়ুন সালাতুল হাজতের নিয়ম ও দোয়াএক সালামে দুই রাকাতের বেশি অর্থাৎ চার, ছয় বা আট রাকাত নফল নামাজ পড়লে প্রতি রাকাতেই সুরা ফাতিহার পর অন্য সুরা মেলানো ওয়াজিব। ফরজ নামাজের মত নফল নামাজে তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে বা পরবর্তী রাকাতগুলোতে শুধু সুরা ফাতেহা পড়ার নিয়ম নেই।
নফল নামাজে প্রতি দুই রাকাত পর পর বৈঠক করা ও ওই বৈঠকে তাশাহহুদ পড়া ওয়াজিব। যেহেতু নফল নামাজের প্রতি দুই রাকাত একটি স্বতন্ত্র নামাজ হিসেবে গণ্য হয়, তাই প্রত্যেক দুই রাকাত পর বৈঠকে তাশাহহুদের পর দরুদ শরিফ ও দোয়া পড়া উত্তম এবং প্রত্যেক দুই রাকাত শেষে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে নতুন করে সানা ও আউজুবিল্লাহ পড়া উত্তম।
ওএফএফ
Advertisement