ফেনীর দাগনভূঞায় টানা ৪০ দিন মসজিদে জামাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সাইকেল উপহার পেয়েছে ৯ শিশু-কিশোর। একইসঙ্গে ১০টি সূরা মুখস্থ ও মাসালা মাসায়েল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ৪১ জন পেয়েছে শিক্ষা উপকরণ ও ইসলামিক বই।
Advertisement
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে দাগনভূঞা উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের ওমরাবাদ গ্রামে আলোর মশালের আয়োজনে তাদের পুরস্কারস্বরূপ বাইসাইকেল প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ ও সমাজসেবক অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া। প্রধান বক্তা ছিলেন দাগনভূঞা-সোনাগাজী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ডা. ফখরুদ্দিন মানিক।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহীদ উল্লাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হারুন, ওমরাবাদ সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি নুরুল আফসার, আইআইইউসির প্রভাষক আহমদ শাহ মাসুদ সাইফুল, পূর্ব চন্দ্রপুর উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ফখরুল ইসলাম, আমুভূঞারহাট হাসানিয়া দাখিল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আবদুল ওহাব।
বেতুয়া দাখিল মাদরাসার সহ-সুপার মাওলানা মনির হোসেনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বীকন মডেল কলেজের প্রভাষক ও ওমরাবাদ সমাজকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল-মামুন, যুগ্ম সম্পাদক হাফেজ নাসির উদ্দিন, সংস্থার সদস্য ডা. শাহজাহান, সমাজসেবক মনিরুল আজিম। আলোর মশালের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক রাফি প্রমুখ।
Advertisement
আয়োজকরা জানায়, শিশু-কিশোররা যাতে মসজিদে যেতে অভ্যস্ত হয়, নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারা এবং আল্লাহর পরিচয় লাভ ও সমাজে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করতে আলোর মশাল এ আয়োজন করে। এতে নামাজ পড়া প্রতিযোগিতায় তিনটি মসজিদের মোট ৪১ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। তার মধ্যে টানা ৪০ দিন মসজিদে জামাতের সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ায় ৯ জন শিশু-কিশোরকে সাইকেল উপহার দেওয়া হয়। ৪১ জনকে স্কুলব্যাগসহ শিক্ষাসামগ্রী ও বই প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও উপহার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
এ ব্যাপারে আলোর মশালের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন বলেন, ঘোষণার পর থেকে শিশু-কিশোররা মসজিদে নিয়মিত জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় শুরু করেন। পাশাপাশি প্রাথমিক সূরাগুলো অর্থসহ মুখস্থ করানো হয়েছে। একটানা ৪০ দিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায়ের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রত্যেককে একটি করে সাইকেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সব শিশুকে স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা সামগ্রী ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
আবদুল্লাহ আল-মামুন/এফএ/জেআইএম
Advertisement