অর্থনীতি

তারল্য সহায়তার ওপর বাড়ছে নির্ভরতা, দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকির সতর্কতা

খেলাপিঋণ, মূলধন ঘাটতি এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোর আর্থিক সংকট সামাল দিতে ২০২৫ সালে দেশের ব্যাংকখাতে ২১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে প্রচলিত ব্যাংকগুলো পেয়েছে ১৯ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা এবং ইসলামী ব্যাংকগুলো ১ লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি ১১টি ব্যাংককে দেওয়া হয়েছে জরুরি তারল্য সহায়তা।

Advertisement

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্পমেয়াদে এ উদ্যোগ ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হলেও দীর্ঘমেয়াদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা আর্থিক খাতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই খেলাপিঋণ আদায়, দুর্বল ব্যাংকের পুনর্গঠন ও সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন-২০২৫ অনুযায়ী, রেপো অপারেশন, অ্যাশিউরড লিকুইডিটি সাপোর্ট (এএলএস), ইসলামী ব্যাংক লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (আইবিএলএফ), স্পেশাল লিকুইডিটি সাপোর্ট (এসএলএস) এবং অন্যান্য তারল্য সুবিধার মাধ্যমে এ সহায়তা দেওয়া হয়।

দেশের ব্যাংকখাতের খেলাপিঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা। তবে বাস্তবে এই পরিমাণ আরও বাড়বে। শুধু উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে এক লাখ ৮২ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা খেলাপিঋণ হিসেবে দেখানো যাচ্ছে না। মূলত খেলাপিঋণের বিস্তার, মূলধন ঘাটতি, ইসলামী ব্যাংকগুলোর আর্থিক সংকট, দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার প্রভাবে দেশের ব্যাংকখাত চাপে রয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন ব্যাংক থেকে টাকা তুলে হাতে রাখছে মানুষ, বাড়তে পারে ‘তারল্য সংকট’

এ পরিপ্রেক্ষিত ২০২৫ সালে ব্যাংকিং ব্যবস্থার তারল্য সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ২১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দিয়েছে, যা তার আগের বছরের তুলনায় (২০২৪ সাল) ২৬ দশমিক ২৩ শতাংশ কম। ২০২৪ সালে দেওয়া হয় ২৮ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

সামগ্রিক নিয়মিত তারল্য সহায়তার ৯১ দশমিক ৮৯ শতাংশ ব্যবহার করেছে প্রচলিত ব্যাংকগুলো, আর ৮ দশমিক ১১ শতাংশ ব্যবহার করেছে ইসলামী ব্যাংকগুলো। এছাড়া ২০২৫ সালে ১১টি ব্যাংক জরুরি তারল্য সহায়তা (ইএলএ) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ১৮ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা পেয়েছে

খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ ধরনের সহায়তা স্বল্পমেয়াদে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কার্যকর হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। বরং নিয়মিত সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা বাড়লে ব্যাংকগুলোর মধ্যে দায়হীনতা বা ‘মোরাল হ্যাজার্ড’র ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই দুর্বল ব্যাংকের পুনর্গঠন, খেলাপিঋণ আদায়, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং কার্যকর তদারকিকে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

প্রচলিত ব্যাংকগুলোর জন্য ১৯ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রচলিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত তারল্য সুবিধার আওতায় ১৯ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মোট সহায়তার ৫৯ দশমিক ১১ শতাংশ এসেছে রেপো সুবিধার মাধ্যমে, ৩৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ এএলএসের মাধ্যমে এবং ৪ দশমিক ২২ শতাংশ স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) থেকে।

Advertisement

অন্যদিকে একই সময়ে এসব ব্যাংক স্থায়ী আমানত সুবিধা (এসডিএফ) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৫ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা জমা রেখেছে।

ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকা

২০২৫ সালে ইসলামী ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন শরিয়াহভিত্তিক তারল্য সুবিধার আওতায় ১ লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকা সহায়তা পেয়েছে। এর মধ্যে ৮৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এসেছে ইসলামী ব্যাংক লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (আইবিএলএফ) থেকে এবং ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ এসেছে স্পেশাল লিকুইডিটি সাপোর্ট (এসএলএস) থেকে। মুদারাবাহ লিকুইডিটি সাপোর্টের (এমএলএস) অংশ ছিল খুবই সামান্য।

আরও পড়ুন ইসলামী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও

সামগ্রিক নিয়মিত তারল্য সহায়তার ৯১ দশমিক ৮৯ শতাংশ ব্যবহার করেছে প্রচলিত ব্যাংকগুলো, আর ৮ দশমিক ১১ শতাংশ ব্যবহার করেছে ইসলামী ব্যাংকগুলো। এছাড়া ২০২৫ সালে ১১টি ব্যাংক জরুরি তারল্য সহায়তা (ইএলএ) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ১৮ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা পেয়েছে।

মূলধন সংকট আরও গভীর

উচ্চ সুদহার, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের ধীরগতির মধ্যে ব্যাংকখাতের মূলধন পরিস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে অবনতি হয়েছে। ২০২৪ সালে ব্যাংকখাতের ক্যাপিটাল টু রিস্ক-ওয়েটেড অ্যাসেটস রেশিও (সিআরএআর) ছিল ৩ দশমিক ০৮ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে নেমে ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে মূলধন সংরক্ষণ বাফার কার্যত শূন্যে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এ সংকটের বড় অংশের জন্য দায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত এবং কয়েকটি বেসরকারি ও ইসলামী ব্যাংক।

ইসলামী ব্যাংকখাতে উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি

প্রতিবেদনে ইসলামী ব্যাংকখাতকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। খাতটির সম্মিলিত সিআরএআর ঋণাত্মক ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশে নেমে এসেছে এবং খেলাপিঋণ বেড়েছে ৫৬ দশমিক ১৫ শতাংশ।

যদিও পুনর্গঠন প্রক্রিয়াধীন পাঁচটি ব্যাংক বাদ দিলে সিআরএআর ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ, তারপরও আমানত ও বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া এবং শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটি নেতিবাচক হওয়া উদ্বেগের বিষয়। একই সঙ্গে অনেক ইসলামী ব্যাংক বাধ্যতামূলক তারল্য সূচক- লিকুইডিটি কভারেজ রেশিও (এলসিআর), নেট স্ট্যাবল ফান্ডিং রেশিও (এনএসএফআর) এবং ইনভেস্টমেন্ট-ডিপোজিট রেশিও (আইডিআর) রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

খেলাপিঋণ এখনো সবচেয়ে বড় ঝুঁকি

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্ট্রেস টেস্টে (আর্থিক বিশ্লেষণ পদ্ধতি) দেখা গেছে, খেলাপিঋণ আরও বাড়লে ব্যাংকগুলোর মূলধন পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে বড় করপোরেট ঋণগ্রহীতাদের খেলাপিতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি এখনো উচ্চ।

আরও পড়ুন বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা চায় ইসলামী ব্যাংক

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট ঋণের প্রায় ৪৬ শতাংশ করপোরেট খাতে কেন্দ্রীভূত হলেও ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৬৭ শতাংশ এ খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থাও নাজুক

ব্যাংকের বাইরে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থাও উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালের শেষে এ খাতের খেলাপিঋণের হার বেড়ে ৩৩ দশমিক ৩২ শতাংশে পৌঁছেছে। মূলধন পর্যাপ্ততার হার নেমে ঋণাত্মক ২৩ দশমিক ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এবং মোট আমানত কমেছে ৭ দশমিক ০৩ শতাংশ। বাড়তি প্রভিশন সংরক্ষণের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের মুনাফাও নেতিবাচক হয়েছে।

ইতিবাচক দিকও রয়েছে

সব প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু ইতিবাচক সূচক দেখা গেছে। রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে, রপ্তানি আয় স্থিতিশীল রয়েছে এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রিত থাকায় চলতি হিসাবের ভারসাম্যে উন্নতি হয়েছে। ২০২৫ সালের শেষে মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার, যদিও আইএমএফের বিএপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ২৮ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ তারল্য সহায়তা থেকে বোঝা যায় যে ব্যাংকখাতের একটি অংশ এখনো নিজস্ব সক্ষমতায় তারল্য ব্যবস্থাপনা করতে পারছে না। স্বল্পমেয়াদে এ ধরনের সহায়তা আমানতকারীদের আস্থা ধরে রাখা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি কোনো টেকসই সমাধান নয়।- এম হেলাল আহমেদ জনি, ব্যাংকখাত বিশ্লেষক

এছাড়া এনপিএসবি, বিইএফটিএন, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, পেমেন্ট কার্ড, বিডি-আরটিজিএস, এজেন্ট ব্যাংকিং, বাংলা কিউআর ও টাকাপে ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্তারও অব্যাহত রয়েছে।

অভ্যন্তরীণ ঋণে প্রবৃদ্ধি

২০২৫ সালের শেষে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদত্ত মোট অভ্যন্তরীণ ঋণ ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ বেড়ে ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে বেসরকারি খাতের ঋণ ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়ে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা এবং সরকারি খাতের ঋণ ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ বেড়ে ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা তোলার হিড়িক, ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, আর্থিক ব্যবস্থা এখনো কার্যকর থাকলেও বিদ্যমান ঝুঁকিগুলো উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বিশেষজ্ঞরা খেলাপিঋণ আদায়ে কঠোর ব্যবস্থা, দুর্বল ব্যাংকের পুনর্গঠন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, মূলধন ঘাটতি পূরণ এবং নিয়ন্ত্রক তদারকি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোর স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং গ্রাহকদের আমানত উত্তোলনের চাপ মোকাবিলায় নীতিমালার আওতায় বিশেষ তারল্য সহায়তা দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উদ্যোগের ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর আর্থিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে এবং গ্রাহকদের আস্থাও পুনরুদ্ধার হতে শুরু করেছে।’

ব্যাংকখাত বিশ্লেষক এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের রিসার্চ ফেলো এম হেলাল আহমেদ জনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ তারল্য সহায়তা থেকে বোঝা যায় যে ব্যাংকখাতের একটি অংশ এখনো নিজস্ব সক্ষমতায় তারল্য ব্যবস্থাপনা করতে পারছে না। স্বল্পমেয়াদে এ ধরনের সহায়তা আমানতকারীদের আস্থা ধরে রাখা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি কোনো টেকসই সমাধান নয়।’

আরও পড়ুন ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমাতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুল বায়েস জাগো নিউজকে বলেন, ‘খেলাপিঋণের উচ্চহার, মূলধন ঘাটতি এবং কয়েকটি ইসলামী ব্যাংকের দুর্বল আর্থিক অবস্থার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীলতা বেড়ে যাচ্ছে। যদি একই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে বাজারে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে খেলাপিঋণ আদায়ে কার্যকর উদ্যোগ, দুর্বল ব্যাংকের পুনর্গঠন, সুশাসন নিশ্চিত করা, পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনায় পেশাদারত্ব বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং প্রকৃত আর্থিক অবস্থার স্বচ্ছ প্রকাশ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি সহায়তার ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমানো সম্ভব হবে।’

ইএআর/ইএ/এমএফএ