ম্যাচের শুরুতেই একটি সহজ ক্যাচ ধরতে পারলে গল্পটা ভিন্নও হতে পারতো। কিন্তু সেই সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। উইকেটরক্ষক ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির গ্লাভস ফসকে বেরিয়ে যাওয়া শেফালি ভার্মার ক্যাচই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। জীবন পেয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভারতকে ৫ উইকেটের জয় এনে দেন এই ওপেনার।
Advertisement
ওল্ড ট্রাফোর্ডে বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৩৬ রান। জবাবে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।
রান তাড়ায় ইনিংসের প্রথম ওভারেই মারুফা আক্তারের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছিলেন শেফালি। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন জ্যোতি। এরপর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন ভারতীয় ওপেনার। পাওয়ার প্লেতেই ভারত তুলে ফেলে ৬৩ রান।
স্মৃতি মান্ধানা ৮ রান করে দ্রুত বিদায় নিলেও শেফালির ব্যাটে রান তোলার গতি কমেনি। মাত্র ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নাহিদা আক্তারের বলে স্টাম্পিং হওয়ার আগে ৩৪ বলে ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৮টি চার ও একটি ছক্কা।
Advertisement
নাহিদা এরপর স্বস্তিকা ভাটিয়াকেও ফিরিয়ে কিছুটা আশা জাগান। রাবেয়া খান এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে রিচা ঘোষকে ফেরান। তবে জেমিমাহ রদ্রিগেজকে রানআউটের সহজ সুযোগ হাতছাড়া করায় বাংলাদেশ আরও চাপে পড়ে। সেই জীবন কাজে লাগিয়ে ১৫ বলে ২৬ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি।
শেষদিকে অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর ও দীপ্তি শর্মা দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে কোনো বিপদ হতে দেননি। ১৯ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে ভারত।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ৪ রান করে ফিরে যান দিলারা আক্তার। তবে জুয়াইরিয়া ও সোবহানা মোস্তারি দ্বিতীয় উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন।
জুয়াইরিয়া ৩১ বলে ৩৩ রান করে আউট হলেও সোবহানা ২২ রান যোগ করেন। এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ২৭ বলে ৩২ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা, রিতু মনি ও স্বর্ণা আক্তারের ছোট ছোট ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ ১৩৬ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়।
Advertisement
এসকেডি/আইএন