আইন-আদালত

আমতলা নদীর বাঁশের বেড়া ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটার আমতলা নদীর ভেতরে দেওয়া বাঁশের বেড়া আগামী সাত দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

Advertisement

এ-সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (২৭ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি এবং বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মন্ডল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ জিসান হায়দার।

রিটের শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। একই সঙ্গে আগামী সাত দিনের মধ্যে আমতলা নদীতে ইজারাদারের দেওয়া বাঁশের বেড়া অপসারণ এবং তিন সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল

এছাড়া বাঁশের বেড়া দিয়ে নদী দখল বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং নদীর মধ্যে দেওয়া বাঁশের বেড়া অপসারণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—এ মর্মে রুল জারি করেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার গঙ্গারাম ইউনিয়নের আমতলা নদীতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে লিজ নিয়ে নদীর এক পাড় থেকে অন্য পাড় পর্যন্ত বাঁশের বেড়া নির্মাণের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে রিটটি দায়ের করা হয়।

শুনানিতে এইচআরপিবির পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, পরিবেশ আইন এবং নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা-সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নদীর অভ্যন্তরে স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রশাসন নদীটি লিজ দিলেও সেখানে বাঁশের বেড়া দেওয়ার কোনো আইনগত অধিকার নেই।

Advertisement

আরও পড়ুন ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল

এইচআরপিবির পক্ষে রিট পিটিশনার ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সারোয়ার আহাদ চৌধুরী এবং অ্যাডভোকেট রিপন বাড়ৈ।

রিটে বিবাদী করা হয়েছে পরিবেশ, ভূমি ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খুলনার জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট আটজনকে। ওই রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন হাইকোর্ট।

এফএইচ/এসএইচএস