বয়সের অজুহাত দেখিয়ে রাসেল মাহমুদ জিমির জাতীয় দলে খেলার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের আগের অ্যাডহক কমিটি। অন্তবর্তী সরকারের সময় গঠন করা হকির অ্যাডহক কমিটির এই সিদ্ধান্ত ছিল ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত ও হাস্যকর। ১৮ জুলাই বর্তমান ক্রীড়া প্রশাসন ২৭ ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের আগের অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠন করেছে। তার মধ্যে আছে হকিও।
Advertisement
নতুন কমিটি রাসেল মাহমুদ জিমিকে জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছে। তার অংশ হিসেবে এশিয়ান গেমসের জন্য চলমান ক্যাম্পে জিমিকে ডাকা হয়েছে। ফেডারেশন তিন সদস্যের একটি নির্বাচক কমিটি গঠন করেছে। ফেডারেশনের সভাপতি সাজেদ এ এ আদেল এবং দুই সদস্য আরিফুল হক প্রিন্স ও মাহবুব হারুনকে নিয়ে গঠিত নির্বাচক কমিটি প্রথম সভা করেই জিমিসহ ৬ জন খেলোয়াড়কে চলমান ক্যাম্পে ডেকেছে।
ক্যাম্পে নতুন করে ডাক পাওয়া খেলোয়াড়রা হলেন- আবু সাঈদ নিপ্পন, মো. নাইম উদ্দিন, মো. শিশির, পুস্পর খীসা মিমো, রাসেল মাহমুদ জিমি এবং শহিদুল হক সৈকত। বৃহস্পতিবার হকি ফেডারেশনের এক জরুরি সভায় নতুন সিলেকশন কমিটির সদস্যরা এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেন।
কমিটি থেকে জানানো হয়েছে, এশিয়ান গেমসের মতো আন্তর্জাতিক ও মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে দেশের জন্য সেরা ফলাফল বয়ে আনতেই মেধা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এই খেলোয়াড়দের দলে যুক্ত করা হয়েছে।
Advertisement
নতুন অন্তর্ভুক্তি চলমান ক্যাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও খেলোয়াড়দের মনোবল আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশা করছে ফেডারেশন। শুক্রবার থেকেই এই ৬ জন খেলোয়াড় মওলানা ভাসানি হকি স্টেডিয়ামে চলমান ক্যাম্পে যোগ দেবেন এবং প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন আশা প্রকাশ করছে যে, সিনিয়র ও জুনিয়র খেলোয়াড়দের এই মেলবন্ধন এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী দল হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
হাস্যকরভাবে বাদ পড়ার পর জিমি সব সময়ই আপসোস করতেন হয়তো তার ২০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার স্বপ্ন পূরণ হবে না। ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক হকিতে অভিষেক হয়েছিল জিমির। এ পর্যন্ত তিনি ১৯৪ টি ম্যাচ খেলেছেন। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন ২০২৩ সালে হাংজু এশিয়ান গেমসে। চূড়ান্ত দলে সুযোগ পেলে এটাই হবে জিমির ক্যারিয়ারের শেষ এশিয়ান গেমস।
আরআই/আইএইচএস/
Advertisement