হাসান জাহিদ
Advertisement
মে দিবস আমাদের দেশে পালিত হয় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে। তবে মে দিবস পালনে আবেগ থাকে না। কারণ সমাজের সিংহভাগ মানুষই মে দিবসকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ দিবস মনে করে না। এখানেই সৃষ্টি হয় তীর্যক দৃষ্টি ও অনেকটাই অবজ্ঞা। জাতীয়ভাবে দিবসটি পালনে সব আয়োজনই হয়, সভা-সমাবেশ, বেতার-টিভি প্রোগ্রাম ও পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র। কিন্তু কোথায় যেন একটা ছন্দপতন হয়।
এর অন্যতম কারণ আমাদের শ্রমিকরা অজ্ঞ ও অশিক্ষিত। তারা তাদের অধিকার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখে না। শ্রম আইন সম্পর্কে তাদের পড়াশোনা নেই। আমাদের সমাজব্যবস্থা বৈষম্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। শিশুশ্রম নিষিদ্ধ হলেও আমরা দেখি ছোটো-বড় অসংখ্য প্রতিষ্ঠানে বা কারখানায় শিশু শ্রমিকেরা কাজ করছে।
ইতিহাস আমাদের জানা আছে। কিন্তু কল-কারখানার মালিক ও তাদের পা-চাটার দল ইতিহাসকে সামনে তুলে ধরে না। তারা ফায়দা লুট করে। অনেক কোম্পানি বা গার্মেন্টস সেক্টর তথাকথিত শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে। ফলে নিরীহ শ্রমিকেরা ঠকে যায়। বেগার খাটে তারা।
Advertisement
সভা-সমিতি হয়, কিন্তু সেসব থেকে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা উপকৃত হয় না। তারা সেসবের দর্শক মাত্র। পুঁজিবাদী গোষ্ঠির কাছে জিম্মি শ্রমিকেরা। আমাদের মতো দরিদ্র দেশে পুঁজি ব্যবস্থা! তেমনটা হচ্ছে কিন্তু। একশ্রেণির কালোবাজারি, মুনাফাখোর, ব্যাংক লুটেরা লোভী গোষ্ঠি কিন্তু আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়ে গেছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সরকারি অব্যস্থাপনা ও দুর্নীতির সুযোগ নিয়ে বেগমপাড়ায় গড়ছে প্রাসাদ। বিএমডব্লিউ গাড়িতে চড়ছে। বিপদ দেখলে তারা কানাডা-আমেরিকায় চলে যায়। আবার সুযোগ বুঝে চলে আসে পুঁজি বাড়াতে। এ এক অসম আর্থ-সামাজিক কাঠামো ও ভঙ্গুর শাসন-ব্যবস্থা।
পুঁজিবাদ এমন এক ব্যবস্থা যা নিজের জন্যই যে কোনো অবস্থাতেই সম্পদ পুঞ্জীভবন ও প্রবৃদ্ধি ঘটিয়ে যাবে। এটা এমন একচোখা দৈত্য যা ব্যবসায় সবসময় সর্বকালের সর্বোচ্চ পুঁজি পুঞ্জীভূত করতে চায়। ‘পুঞ্জীভূত করো, পুঞ্জীভূত করো,’ যেমন বলেছেন কার্ল মার্কস তার ‘ডাস কাপিটাল বা ‘পুঁজি গ্রন্থে। পুঁজিবাদ হলো প্রবাদের সেই মাকড়শা যে একটি ব্যাঙ ধরে পিঠের ওপর নিয়ে নদী পার হবার সময় যখন দুজনেই মারা যাচ্ছে তখন বলে, ‘আমি এটাই করি, কেননা এটা আমার স্বভাব।’
এই রোগে আক্রান্ত অনেক ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও রাজনীতিবিদেরা। মানসিক দৈন্যতা আমাদেরকে নীতিহীন-বিবেকহীন করে তুলছে। এখনকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর জর্জ ওয়াশিংটনের আমেরিকার মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক। সেই গল্পটি নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে।
একসময়কার কথা জর্জ ওয়াশিংটন তখনো তরুণ সেনাপতি নন, বরং সাধারণ এক ভদ্রলোক। এক বর্ষার দিনে তিনি ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছিলেন গ্রামের পথে। হঠাৎ সামনে দেখা গেল এক কৃষকের গো-শকট কাদায় আটকে গেছে। শকটের চাকাগুলো গভীর কাদায় ডুবে গেছে, আর কৃষক একা প্রাণপণে ঠেলেও কোনো ফল পাচ্ছেন না।
Advertisement
ওয়াশিংটন ঘোড়া থেকে নেমে এলেন। কৃষক ভেবেছিলেন, এই ভদ্রলোক হয়তো পাশ কাটিয়ে চলে যাবেন। কিন্তু ওয়াশিংটন হাসিমুখে বললেন, ‘চলুন, একসঙ্গে চেষ্টা করি। কাজ ভাগ করলে কাদা আমাদের বিরুদ্ধে জিততে পারবে না।’
দুজন মিলে শক্ত করে ঠেলতে শুরু করলেন। প্রথমে শকট নড়ল না, কিন্তু ওয়াশিংটনের দৃঢ় হাত আর কৃষকের প্রাণপণ চেষ্টা মিলিয়ে ধীরে ধীরে চাকাগুলো কাদার মধ্য থেকে বেরিয়ে এলো। শকট মুক্ত হলো, কৃষকের মুখে আনন্দের আলো ফুটল।কৃষক বিস্মিত হয়ে বললেন, ‘আপনি তো ভদ্রলোক, আপনার হাতে মাটি লাগল?’ ওয়াশিংটন শান্তভাবে উত্তর দিলেন, ‘মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোই আসল ভদ্রতা। পদমর্যাদা নয়, কাজই মানুষকে বড় করে।’
এই ছোট্ট ঘটনাই পরে মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে জর্জ ওয়াশিংটন শুধু নেতা নন, তিনি ছিলেন সহমর্মিতা আর দায়িত্ববোধের প্রতীক।
মে মাসের প্রথম দিন মে ডে হিসেবে পরিচিত। এই দিনটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত। বিশ্বজুড়ে, বাংলাদেশসহ, শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই দিনটি পালন করা হয়। মে ডে স্মরণ করে ১ মে ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর হে মার্কেটে পুলিশের হাতে কয়েকজন প্রতিবাদী শ্রমিকের হত্যাকে, যারা দাবি করছিল ১২ ঘণ্টা কাজের দিনকে ৮ ঘণ্টায় কমানোর।
১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেটে লাখো শ্রমিক সমবেত কণ্ঠে দাবি তুলেছিল সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত নয়, ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস চাই। মে মাসের ৩ এবং ৪ তারিখে সেই আন্দোলনকে নিষ্ঠুরভাবে দমন করাই শুধু নয়, আন্দোলনের নেতা অগাস্ট, এঞ্জেলস, স্পাইস, ফিসারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়।
শিকাগো শহরের সেই রক্তাক্ত আন্দোলন ও শ্রমিকের বেদনা বিক্ষোভের রুপে ছড়িয়ে পড়েছিল সারা পৃথিবীতে আর মে দিবস পরিণত হয় আন্তর্জাতিক দিবসে। মে ডে-এর সবচেয়ে বড় পরিহাস হলো যে বাংলাদেশ বা এই উপমহাদেশের অন্য কোনো স্থানের খুব কম শ্রমিকের এই দিন সম্পর্কে কোনো জ্ঞান আছে, যা ১৮৮৬ সালে ইলিনয়েস, শিকাগোতে বিখ্যাত হে মার্কেট ঘটনার স্মরণে পালন করা হয়। মে ডে পালিত হয় বিশ্বের অনেক দেশে শ্রমিক আন্দোলনের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে।
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের প্রথম আহ্বান ১৮৮৯ সালে দেওয়া হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে, যা ফ্রান্সের প্যারিসে সমাজতান্ত্রিক একটি সভা ছিল। উদ্দেশ্য ছিল শিকাগো, ইলিনয়েসে ১৮৮৬ সালে হে মার্কেট স্কোয়ার দাঙ্গার পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রমিকদের সম্মান জানানো। ৪ মে হে মার্কেট স্কোয়ারে র্যালি হয়েছিল প্রায়-আট ঘণ্টার কর্মদিবসের জন্য আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশ নির্যাতনের প্রতিবাদে। হে মার্কেট স্কোয়ার র্যালি সহিংস হয়ে যায়, যদিও কেউ জানে না কে সহিংসতার সূচনা করেছিল।
মে দিবস ক্রমে ক্রমে আরও অনেক দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল, যদিও যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা সেপ্টেম্বর মাসে শ্রমিকদের সম্মান জানাতে লেবার ডে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। মে দিবস বিশেষভাবে রাশিয়াতে এবং অন্যান্য কমিউনিস্ট দেশে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মস্কোতে মে দিবসের প্যারেডে বর্মধারী ট্যাংক, রকেট এবং সামরিক কর্মীরা জাতির নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ১৯৯৯ সাল থেকে বৈশ্বিকীকরণ এবং পুঁজিবাদবিরোধী গোষ্ঠীগুলি মে ১ তারিখে বিশ্বের শহরগুলোতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
কার্ল মার্ক্স হিসাব করে দেখিয়েছিলেন মালিকের মুনাফা বাড়ানোর পথ দুটি। শ্রমিকের শ্রম, সময় বাড়ানো আর যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ানো। ফলে কর্মঘণ্টা বাড়ছে, উৎপাদন বাড়ছে। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেকারত্ব। বিপুল সংখ্যক বেকার শ্রম বাজারে রিজার্ভ কর্মীরা কাজ করছে বলে কম মজুরিতেই তাদের কাজ করানো সম্ভব হচ্ছে।
সূত্রমতে, প্রতি বছর শ্রমবাজারে কাজ প্রত্যাশী ২০-২২ লাখ তরুণ-যুবক আসে যাদের মাত্র দুই লাখের মতো কর্মসংস্থান রাষ্ট্র করতে পারে। এরপর, সাত থেকে ১০ লাখ মানুষ পাড়ি জমায় বিদেশে কাজ করতে। আর বাকিরা দেশে কোনোমতে কাজ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করে। দেশের ছয় কোটি ৩৪ লাখ শ্রমজীবীর মধ্যে প্রায় তিন কোটি কাজ করে কৃষিখাতে। যেখানে বছরে ৩ মাসের বেশি কাজ থাকে না। ফলে বহু ধরনের অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজের মাধ্যমে তারা টিকে থাকার চেষ্টা করে। এর বাইরে ৪০ লাখ শ্রমিক গার্মেন্টসে; ৩০ লাখের বেশি নির্মাণ খাতে; ৫০ লাখ পরিবহন খাতে; ১০ লাখের বেশি দোকান কর্মচারি; পাট, চা, চামড়া, তাঁত, রি রোলিং, মোটর মেকানিক, লবণ, চিংড়ি, সংবাদমাধ্যম, হাসপাতাল-ক্লিনিক, পুস্তক বাঁধাই, হকার, রিকশা-ভ্যান চালক, ইজি-বাইক চালক, সিকিউরিটি গার্ডসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করছে।
শ্রম শক্তির ১ কোটি ২ লাখ প্রাতিষ্ঠানিক খাতে আর বাকিরা অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে থাকে। মজুরি বোর্ডের মাধ্যমে ৪৩টি সেক্টরের শ্রমজীবীদের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের ব্যবস্থা থাকলেও বাকি কোটি কোটি শ্রমিকের ‘কাজ নাই তো মজুরি নাই’ নীতিতে কাজ করানো হয়ে থাকে। শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার পথে আইনি এবং আইন বহির্ভূত অসংখ্য বাধা। সে কারণে ২ লাখের মতো ছোটো বড় প্রতিষ্ঠান থাকলেও ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা ৮ হাজারের কম। দেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টসে ৪ হাজারের বেশি কারখানা থাকলেও ট্রেড ইউনিয়ন আছে এমন কারখানা কাগজে কলমে ৬৬১টি। বাস্তবে সক্রিয় ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা আরও কম। দেশের ৮টি ইপিজেডে ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার নেই।
আইএলও কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮এ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে অনুসমর্থন করলেও স্বাধীনভাবে ট্রেড ইউনিয়ন করা ও পছন্দমত নেতা নির্বাচনের অধিকার থেকে শ্রমিকরা বঞ্চিত। ট্রেড ইউনিয়ন হলো শ্রমিকের ঐক্যবদ্ধ ও শিক্ষিত হওয়ার একমাত্র উপায়, যা না হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও শ্রমিকরা অসহায়। মালিকদের ক্ষমতা আর শ্রম আইনের সহায়তা নিয়ে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করা ও টিকিয়ে রাখাকে দুঃসাধ্য করে ফেলা হচ্ছে। এবং এ কারণেই স্বল্প মজুরি আর দীর্ঘ কর্ম সময়ের দুষ্টচক্রে বাধা পড়ে রয়েছে বাংলাদেশের শ্রমিক। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ছে, মাথা পিছু আয় বাড়ছে। অথচ দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাতের শ্রমিকের সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার টাকা। ফলে উৎপাদনের প্রধান চালিকাশক্তি শ্রমিক মাথাপিছু আয়ের তুলনায় কম মজুরি পাচ্ছে এবং বৈষম্য ক্রমাগত আকাশচুম্বী হচ্ছে।
মুনাফা এবং মজুরির যে বিরোধ, সেই বিরোধে শ্রমিক সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও দুর্বল এবং শোষিত। ফলে সারা দুনিয়াতে খাদ্য-পণ্য ও ব্যবহারিক পণ্য উৎপাদন সব রেকর্ড ভেঙে ফেললেও তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থেকে যাচ্ছে। আয়ের বড় অংশ খাদ্য, বাড়িভাড়া, পোশাক, চিকিৎসায় ব্যয় হয়ে যাওয়ার ফলে সঞ্চয় যেমন থাকছে না তেমনি দক্ষতা অর্জনের জন্য বাড়তি খরচ করাও শ্রমিকের জন্য সম্ভব হয়ে উঠছে না।
তাহলে ডিজিটাল দক্ষতা শ্রমিকরা অর্জন করবে কীভাবে? চতুর্থ শিল্প বিপ্লব কি তাহলে বেকারত্বের ভয়াবহতা নিয়ে আবির্ভূত হবে? উৎপাদন এবং বেকারত্ব বৃদ্ধির এই দুষ্টচক্র সামাজিক সব শৃঙ্খলাকেই ভেঙে ফেলবে। উৎপাদন বণ্টন ও ভোগের ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনা এবং আগ্রাসী পুঁজিবাদের হাত থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস ও ন্যায্য মজুরির কোনো বিকল্প নেই। ফাঁসির মঞ্চে দাড়িয়ে অগাস্ট স্পাইস যে উক্তি করেছিলেন-‘দ্য টাইম উইল কাম হোয়েন আওয়ার সাইলেন্স উইল বি মোর পাওয়ারফুল দেন দ্য ভয়েস ইউ স্ট্রাঙ্গেল্ড টুডে’।
বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের পটভূমিতে মে দিবস বারবার সে কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, কিছু প্রতিষ্ঠিত মহল মে দিবসের প্রকৃত ইতিহাস লুকাবার চেষ্টা করতে চাইবে। শ্রমিক হিসাবে, প্রত্যেকেরই মে দিবসকে শুধু এর ঐতিহাসিক গুরুত্বের জন্য নয়, বরং এটি একটি সময় হিসাবে স্বীকৃতি দান ও স্মরণ করা উচিত, যাতে কর্মরত জনগোষ্ঠীর অর্থাৎ আজকের সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর চারপাশে সংগঠন গড়ে তোলা যায়।
আরও পড়ুনএকদিনের কাল্পনিক শহর: শ্রমিক ছাড়া কেমন হবে নগরজীবনসদরঘাট: যেখানে প্রতিদিন গড়ে ওঠে হাজারো জীবিকার গল্পকেএসকে