সিটল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে আছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র।
Advertisement
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই দারুণ সুযোগ অস্ট্রেলিয়ার! ডিফেন্ডার ফ্রিম্যান নিজের অর্ধে রিচার্ডসের দিকে একটি দুর্বল পাস দেন। সেই ভুলের সুযোগ নিয়ে বল দখল করেন টুরে। তিনি ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শট নেন, তবে পোস্টে সতর্ক অবস্থানে থাকা গোলরক্ষক ফ্রিজ সহজেই বলটি আটকে দেন।
১১ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। বালোগুন বাঁ প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত স্প্রিন্টে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে ছয় গজের বক্সের দিকে এগিয়ে যান। এরপর মাঝখানে নিচু করে একটি পাস বাড়ান। কিন্তু সেটি ক্লিয়ার করতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার বার্জেস ভুল করে বল নিজের জালের ছাদে জড়িয়ে দেন (১-০)!
প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া! টুরে বক্সের ঠিক বাইরে ভেলুপিল্লাইয়ের কাছে বল বাড়িয়ে দেন। ভেলুপিল্লাই দারুণ নিয়ন্ত্রণে বল থামিয়ে লেকির জন্য সুযোগ তৈরি করেন। এরপর লেকি ডান পায়ের বাইরের অংশ দিয়ে চমৎকার এক শট নেন, কিন্তু বলটি সামান্য ব্যবধানে লক্ষ্যের বাইরে চলে যায়।
Advertisement
২২ মিনিটে নিজেদের অর্ধে বলের দখল হারিয়ে বিপদ ডেকে আনে অস্ট্রেলিয়া। সেই ভুলের সুযোগ লুফে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। দ্রুত আক্রমণ গড়ে বল পৌঁছে যায় বালোগুনের কাছে। প্রায় ১৫ গজ দূর থেকে জোরালো শট নেন তিনি, কিন্তু সামনে থাকা অস্ট্রেলিয়ার এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বলটি আটকে যায়। ফলে ব্যবধান বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে যুক্তরাষ্ট্র।
৪৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে যুক্তরাষ্ট্র। ফ্রি-কিক থেকে বল ফেরত আসে ডেস্টের কাছে, যিনি বক্সের মাথা থেকে শট নেন। ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বলটি উঁচু হয়ে আকাশে ভেসে ওঠে। সেই সুযোগে ফ্রিম্যান বলের নিচে অবস্থান নিয়ে হেড করে জালে পাঠিয়ে দেন।
যদিও সহকারী রেফারি সঙ্গে সঙ্গে অফসাইডের পতাকা তুলেছিলেন। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনার পর দেখা যায়, ডেস্ট শট নেওয়ার সময় ফ্রিম্যান অফসাইডে ছিলেন না। অস্ট্রেলিয়ার ইতালিয়ানো তাকে অনসাইডে রেখেছিলেন।
রেফারি গোলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতেই গ্যালারিতে শুরু হয় উচ্ছ্বাসের বিস্ফোরণ। আবারও শুরু হয় গোল উদযাপন! ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
Advertisement
এমএমআর