হঠাৎ ত্বকে চুলকানি শুরু হলো, কোথাও লালচে দাগ বা ছোট ছোট র্যাশ দেখা গেল - এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়। কেউ এটিকে সাধারণ ত্বকের সমস্যা মনে করেন, আবার কেউ ভয় পান। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এটি হতে পারে স্কিন অ্যালার্জির লক্ষণ।
Advertisement
স্কিন অ্যালার্জি মূলত তখনই হয়, যখন ত্বক কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের সঙ্গে সংস্পর্শে এসে প্রতিক্রিয়া দেখায়। একে অনেক সময় কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস বলা হয়। নতুন কোনো প্রসাধনী, সাবান, ডিটারজেন্ট, সুগন্ধি, এমনকি কাপড় বা গয়নার ধাতুও এর কারণ হতে পারে।
স্কিন অ্যালার্জির লক্ষণএই অ্যালার্জির সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে – ১. চুলকানি২. লালচে দাগ৩. ফুসকুড়ি৪. ত্বক ফুলে যাওয়া বা শুষ্ক হয়ে যাওয়া৫. কখনও কখনও ত্বকে জ্বালাপোড়া বা খোসা ওঠার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
অনেক সময় এসব লক্ষণ দ্রুত দেখা দেয়, আবার কখনও কয়েক ঘণ্টা বা দিনের ব্যবধানে শুরু হয়।
Advertisement
স্কিন অ্যালার্জি ও সাধারণ ত্বকের সমস্যার মধ্যে পার্থক্য বোঝার একটি উপায় হলো - কারণ খুঁজে বের করা। যদি নতুন কোনো পণ্য ব্যবহার করার পর বা নির্দিষ্ট কোনো জিনিসের সংস্পর্শে আসার পর সমস্যা শুরু হয়, তাহলে সেটি অ্যালার্জির ইঙ্গিত হতে পারে।
প্রতিকার কী?ঘরোয়া পর্যায়ে কিছু সহজ পদক্ষেপে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। প্রথমেই যে জিনিসটি থেকে অ্যালার্জি হচ্ছে বলে মনে হয়, সেটি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। ত্বক পরিষ্কার রাখা, মৃদু এবং সুগন্ধিবিহীন পণ্য ব্যবহার করা ভালো। ঠান্ডা পানির সেঁক দিলে চুলকানি কিছুটা কমতে পারে।
তবে সমস্যা যদি বেশি হয়, ছড়িয়ে পড়ে বা দীর্ঘদিন থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রয়োজনে অ্যালার্জি টেস্ট করে সঠিক কারণ নির্ণয় করা হয় এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্কিন অ্যালার্জি সাধারণ হলেও অবহেলা করলে তা জটিল হতে পারে। তাই ত্বকের কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখলেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
Advertisement
সূত্র: আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব ডার্মাটোলজি, মায়ো ক্লিনিক, সিডিসি
এএমপি/এএসএম