চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থানা এলাকা থেকে তিনটি এলজিসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর পর্যন্ত সন্দ্বীপের রহমতপুর ইউনিয়নসহ আশেপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
Advertisement
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নগরীর নাসিরাবাদে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম নিজেই এসব তথ্য জানান।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন সন্দ্বীপের রহমতপুর ইউনিয়নের শফি মেম্বারের ছেলে মিলাদ হোসেন বাবলু ওরফে ছেনী বাবলু (৩৫) এবং প্রয়াত আবুল কাশেমের ছেলে মো. জুয়েল রানা (৩৬)।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার জাগো নিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রহমতপুর ইউনিয়নের একটি বস্তিতে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী মিলাদ হোসেন বাবলুকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অন্য সন্ত্রাসী জুয়েল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে তিনটি দেশীয় এলজি, ৪ রাউন্ড কার্তুজ, একটি ধারালো ছেনি, একটি চাপাতি, ৩১৫ পিস ইয়াবা এবং নগদ ১১ হাজার ২২০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
Advertisement
উদ্ধার করা অস্ত্র-মাদক/ছবি: সংগৃহীত
ওসি বলেন, গ্রেফতার মিলাদ হোসেন বাবলু দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং তার নামে ২০টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, তিনি যোগদানের পর গত ৭ মে থেকে এ পর্যন্ত জেলার ১৭টি থানা এলাকায় বিভিন্ন অভিযানে ১৩টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং ১৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩ পিস ইয়াবা, ৯২ কেজি গাঁজাসহ অন্যান্য মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক সংক্রান্ত ১৫২টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১৯৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাছাড়া ডাকাতি ও ডাকাতি প্রস্তুতি মামলায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এমডিআইএইচ/এমএমকে
Advertisement